বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্র অব্যাহত রাখতে গুরুত্বারোপ

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০১৩, ২২:২৮
নয়াদিল্লীতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মজীনা গতকাল শুক্রবার ভারত সরকারের সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আসন্ন নির্বাচন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন। এসব আলোচনায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যু বিশেষ করে নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে সমঝোতার উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভারতীয় নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে একমত হন বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও নয়াদিল্লীতে মার্কিন কূটনীতিকরা। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রস্তাব দুটি নিয়ে আলোচনা করেন তারা। সংবিধানের আলোকে বিরোধী দলের মনোনীত প্রতিনিধিদের অন্তর্বর্তী সরকারের কেবিনেটে অন্তর্ভুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্তাবকে তারা ইতিবাচক হিসাবে দেখছেন বলে দায়িত্বশীল সূত্র জানায়। ভারতেও বিরোধী দলকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির সুযোগ নেই। নির্বাচন অন্তর্বর্তী সরকারই সংবিধান অনুযায়ী আয়োজন করে থাকে। সংবিধানের বাইরে কোন প্রস্তাব বাস্তবে প্রয়োগের সুযোগ নেই। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই নির্বাচন ও ক্ষমতা বদল হওয়া উচিত। ভারতীয় নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে ড্যান মজীনার আলোচনায় বাংলাদেশকে ঘিরে দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতি, সন্ত্রাস বিরোধী সমন্বিত অবস্থান ও কার্যক্রম ও ভবিষ্যতের পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়। বাংলাদেশ যেভাবে কয়েক বছর ধরে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবিরোধী ভূমিকা নিচ্ছে তা চালিয়ে যাবার পক্ষে মত দেয়া হয়। ড্যান মজীনা গতরাতে নয়াদিল্লী থেকে ঢাকা ফিরে আসেন। নয়াদিল্লীতে তিনি গতকাল ভারতের পররাষ্ট্র সচিব সুজাতা সিং এবং দক্ষিণ এশিয়া, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র সংশ্লিষ্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং কয়েকজন আঞ্চলিক সহযোগিতা বিষয়ে বিশেষজ্ঞের সঙ্গে দেখা করেন। ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ন্যান্সি জে পাওয়েল বিভিন্ন আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ ইস্যু নিয়ে আলোচনার বাইরে ড্যান মজীনা দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মার্কিন দূতদের পরামর্শ বৈঠকেও যোগ দেন।