তরুণীদের ভিড় দর্জি বাড়ি

আপডেট : ১৯ মে ২০১৯, ২২:১৮

ইত্তেফাক রিপোর্ট

বরাবরের মতো পছন্দের ডিজাইনে পোশাক তৈরি করে নিতে তরুণীদের ভিড় এখন থানকাপড় এরং দর্জিবাড়িতে। বিভিন্ন ধরনের থানকাপড় উঠেছে চাঁদনি চক, নিউ মাকের্ট, রাপাপ্লাজাসহ প্রায় প্রতিটি মার্কেটে। হাতের কাজ, এমব্রয়ডারি করা, চিকেন, কটন চিকেন, কসর, শার্টিন, টিস্যু, লিলেন, জর্জেট, বিসকস আরো অনেক নামের থানকাপড় পাওয়া যাচ্ছে। তবে দামে বেশি বলে অভিযোগ রয়েছে ক্রেতাদের। আর দু-একদিনের ব্যবধানে অর্ডার বন্ধের নোটিস টাঙ্গিয়ে দিয়েছে অনেক নামি-দামি দর্জির দোকান।

চাঁদনি চক মার্কেটে কথা হয় কাপড় কিনতে আসা পাপিয়া পপি গজ কাপড় কিনতে এসে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, দোকানিরা কাপড়ের এতো বেশি দাম রেখেছে যে, কাপড় কিনে ড্রেস বানানো এখন মুসকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিটি কাপড়ের গজ দোকানিরা ধরেছে ৮০০ থেকে একহাজার কিংবা ১২০০ টাকা। সেই হিসেবে কেবল জামার জন্যে আড়াই-তিন গজ কাপড় কিনতে আড়াই-তিন হাজার টাকা লেগে যাচ্ছে। তার সঙ্গে আছে জামা বানানোর মজুরি। জামার আনুসঙ্গিক লেইস, বোতাম এসব মিলে একটি জামা বানাতে অনেক টাকা লাগছে। ফলে ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও কাপড় কিনে জামা বানাতে পারছি না। 

এ প্রসঙ্গে দোকানি আনোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের এসব কাপড় আসছে পাকিস্তান ও ভারত থেকে। এসবের কেনা দাম বেশি তাই আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। অন্য আরেকজন দোকানি রহরত উল্লাহ বলেন, এসব কাপড়ের সুতা ও কাজের ওপর ভিত্তি করে দাম ধরা হয়েছে।

ধানমন্ডি, লালমাটিয়া, গুলশান, বনানী, নিউমার্কেট, উত্তরা এলাকার কারিগরদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জামার জন্য ভারতীয় ও ক্যাটালগের ডিজাইন থেকে নকশা বেছে জামার ডিজাইন দিয়ে জামা বানাতে দিচ্ছে মেয়েরা। বরাবরের মতো হাতার চাহিদা পালাজ্জো কিংবা স্কার্ট পালাজ্জোকে ছাপিয়ে চাপা প্যান্ট ও চোস্ত পায়জামা দখল রাজত্ব করছে। 

শতরূপা টেইলারের কাটিং মাস্টার বাবর আলী বলেন, আগের বছরের মতো ইয়গ-লেইস ফিতার স্থান দখল করে নিয়েছে নানা ধরনের বোতাম ও পুঁতি। দুই রঙের কাপড় দিয়েই করা হচ্ছে ডিজাইন। তিনি বলেন, গত বছর অনেক ধরনের গলা, হাতা ও জামার নিচের কাটছাঁটে বৈচিত্র্য থাকায় এ বছর খুব বেশি পরিবর্তন আসছে না বলে জানান তিনি।