প্র জ ন্মে র ফে স বু ক

বায়ার’স চয়েজ

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০১৩, ১৯:৫১
প্রতিদিন অনলাইনে নতুন নতুন গ্যাজেটস দেখে দেখেই দিন কাটত একসময়। এই জিনিসগুলো যে চাইলেই পাওয়া যায় না, ক’দিন আগে বাস্তবতা ছিল এমনই। তখন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ অধ্যয়নরত শাহ রিয়াম ভাবলেন জিনিসগুলো সব কীভাবে পাওয়া যায় সহজেই। আর সেই সুবাদেই একই রকম আরেকটি গ্রুপের উদ্যোক্তা শাহ ফুয়াদ হোসেনের সাথে কথা হয় তার। ফুয়াদের অনুপ্রেরণাতেই শুরু হয় বায়ার’স চয়েজ। কাজ কী বায়ার’স চয়েজের? তারা কীভাবেই বা সুবিধা দিয়ে থাকেন? উদ্যোক্তা শাহ রিয়াম হোসেন জানালেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য কিংবা ভারতের যেকোনো অনলাইন শপের জিনিসগুলো খুব সহজেই তারা গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেন। সঙ্গত কারণেই দেশের বাইরেও তার প্রতিনিধি তৈরি হয়েছে। অল্প সময়েই স্মার্ট ফোন, ব্র্যান্ডেড ওয়াচ দিয়ে গ্রহণযোগ্যতা পান তিনি বন্ধুদের কাছে। কেমন ভাবনা থেকে এমন একটি উদ্যোগে সম্পৃক্ত হলেন, জানতে চাইলে শাহ রিয়াম হোসেন জানালেন, নিজের ইচ্ছে ছিল বিশ্বমানের গ্যাজেটসগুলো দেশে নিয়ে আসার। আর এভাবেই প্রথমে আত্মীয়ের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য থেকে, পরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আর সম্প্রতি ভারত থেকেও প্রতিনিধির মাধ্যমে বৈধ উপায়ে নিয়ে আসছেন পণ্যগুলো। গ্রাহকের কাজ একটাই, যেকোনো ওয়েবসাইটের পছন্দের জিনিসের লিংকটা তাদেরকে দেওয়া। বাকিটা তারাই করবে, অনলাইনে মূল্য পরিশোধ করে সেটা রিসিভ করে সযত্নে দেশে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বটা বায়ার’স চয়েজ কর্তৃপক্ষের। শাহ রিয়াম হোসেনের এই ধরনের কাজে যুক্ত হওয়ার পেছনে তার পরিবারের অবদান অনেক বলে জানালেন। যশোরের শিল্পশহর নওয়াপাড়ায় কেটেছে শৈশব, এরপর কলেজের দিনগুলো কেটেছে খুলনায়। বর্তমানে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ’র দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছেন তিনি। তিনি মনে করেন, উদ্যোগ ছোট বা বড়, এটা বিষয় নয়, কতটা আন্তরিকতার সাথে তা করা হচ্ছে সেটাই বিবেচ্য। আর নিজের বায়ার’স চয়েজকেও তিনি এই মনোভাবে পরিচালনা করেন। বায়ার’স চয়েজের আরও একটি বড় অর্জন প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে চলা। আর এর জন্যই তাদের সফলতার মাত্রাটা অল্প সময়ে বেশিই বলতে হবে। নতুন কিছু শুরু করার সময়ে এই বিষয়টাতে খেয়াল রাখা খুব জরুরি। শাহ রিয়াম হোসেন যে ভাবনা থেকে এই উদ্যোগ নিয়েছেন, সে পথ ধরে আরও সফলতার দেখা পাবেন সামনে। আরও অনেক তরুণ এভাবেই সামাজিক যোগাযোগের সাইটটি থেকে এ রকম সাফল্যের দেখা পাবেন, প্রজন্মের কাছে শাহ রিয়ামের প্রত্যাশা এমনই।