ভুল চিকিত্সার অভিযোগ

ভাণ্ডারিয়ায় চিকিত্সকসহ ৩ জন জেল হাজতে

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০১৩, ২২:৫৯
জেলায় ডাক্তারের ভুল চিকিত্সার কারণে এক মাদ্রাসা ছাত্রীর মৃত্যুর অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় অভিযুক্ত চিকিত্সকসহ তিনজনকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত। অভিযুক্তরা হাইকোর্টের জামিন শেষে গতকাল রবিবার পিরোজপুর জেলা অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আলী মাসুদের আদালতে হাজিরা দিয়ে দ্বিতীয় দফা জামিন আবেদন জানালে আদালত জামিন না-মঞ্জুর করে তাদেরকে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। অভিযুক্তরা হলেন ভাণ্ডারিয়া শহরের লাবণ্য ক্লিনিকে কর্তব্যরত চিকিত্সক ডা. তাপস কুমার তালুকদার, ক্লিনিকের ফার্মাসিস্ট বিজন কান্ত বেপারী ও ক্লিনিক ম্যানেজার মো. নজরুল ইসলাম । মৃত সুরাইয়া আক্তার (১৩) এর ভাই মো. জিয়াউল ইসলাম বাদী হয়ে গত ১৬ সেপ্টেম্বর ভাণ্ডারিয়া থানায় ওই ক্লিনিকের চিকিত্সক ও দুই কর্মচারীর নামে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ বলা হয়, সুরাইয়া গত কয়েকমাস ধরে এপেন্ডিসাইটিস-এর প্রদাহজনিত রোগের চিকিত্সায় শহরের লাবণ্য নার্সিং হোম নামের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি হন। সাড়ে তিন হাজার টাকা চুক্তিতে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ক্লিনিকের চিকিত্সক ডা. তাপস কুমার তালুকদার রোগীর অস্ত্রোপচার করেন। অস্ত্রোপচারের তিনদিন পর গত ১৬ সেপ্টেম্বর মেয়েটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে সোমবার সে মারা যায়। পরে মেয়েটির লাশ ক্লিনিকের লোকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ভ্যানে ফেলে রেখে সটকে পড়ে। মেয়েটির বাবা হাফেজ নূর মোহাম্মদ অভিযোগ করেন, আসামিরা হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে মামলা তুলে নিতে তাদের নানা ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।