গৃহস্থালি
খাবার ছাড়া জীবনের কথা ভাবাও যায় না। আমাদের শরীর মন সচল রাখে প্রতিদিনের খাদ্য। সেই খাবার প্রস্তুত হয় রান্নাঘরে, আর তাই আমাদের বাড়ির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হচ্ছে রান্নাঘর। পরিবারের সবার স্বাস্থ্য রক্ষার কথা বিবেচনা করে এই ঘরটিকে জীবাণুমুক্ত, পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
পরিচ্ছন্ন, গোছানো একটি রান্নাঘর আমাদের রুচির পরিচয় করিয়ে দেয় অন্যদের সঙ্গে। নিত্য প্রয়োজনীয় আধুনিক নতুন সব সরঞ্জাম রান্নাঘরের চেহারাই পাল্টে দিতে পারে। এজন্য প্রয়োজন রুচি এবং পরিকল্পনা।
বাড়ি তৈরি অথবা বাড়ি ভাড়া নেওয়ার সময়ই লক্ষ্য রাখতে হবে রান্নাঘরটি যেন বড় হয়। আধুনিক জিনিস দিয়ে রান্নাঘর সাজাতে হবে। এতে আমাদের সময়ের অপচয় ও কষ্ট কমে যাবে। ঘরের কাজ অনেক স্বচ্ছন্দে করতে পারব।
আসুন মনের মতো সাজানো রান্নাঘর তৈরিতে আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের কৌশল ও উপকারিতা সম্পর্কে কিছু টিপস্ জেনে নিই।
মাছ, মাংস, যেকোনো সবজি, ফল ও অন্যান্য খাবার দাঁড়িয়ে কম সময়ে কাটার জন্য কাটার ও কাটিং বোর্ড ব্যবহার করুন।
সবজি ফলের খোসা নিখুঁতভাবে ছাড়াতে ভেজিটেবল পিলার ব্যবহার করতে পারেন।
সবজি বা অন্য খাবার খুব কুচিকুচি করতে চাই গ্রেটার।
ফ্রিজ কেনার সময় অবশ্যই ভালো ব্র্যান্ড দেখে কিনুন। প্রতিদিন বাজার করার ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবেন।
রান্নাঘরের বাড়তি তাপ, চুলা থেকে জমা ময়লা ও তেল চিটচিটে হওয়া ভাব দূর করতে কিচেন হুড লাগিয়ে নিন।
রান্না ঘরের সব সরঞ্জাম নির্দিষ্ট জায়গায় গুছিয়ে রাখতে, ঘরের আয়তন অনুযায়ী কিচেন ক্যাবিনেট বানাতে হবে।
রান্নার জন্য ননস্টিক ফ্রাইপ্যান ব্যবহার করতে পারেন। কারণ, ননস্টিক ফ্রাইপ্যান রান্না করলে খাবার সহজে পুড়ে বা লেগে যায় না। তেল পরিমাণে অনেক কম লাগে। যা স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো।
কিচেন অ্যাপ্রন ব্যবহার করুন। এতে তরকারির ঝোল, মসলার দাগ লেগে পোশাক নষ্ট হবে না।
ব্লেন্ডার, এগবিটার, জুসার, মিক্সচার, স্যান্ডউইচ মেকার, কফি মেকার, টোস্টার, প্রেসার কুকার, রাইস কুকার ও ওভেনের ব্যবহারে আমাদের দৈনন্দিন কাজ অনেক সহজ হবে। এগুলো সুন্দর করে সাজিয়ে রাখলে সবাই আপনার রুচিরও প্রশংসা করবে।
পরিকল্পিত ভাবে গোছানো রান্নাঘরই রান্নাঘরের সৌন্দযের মূল কথা। শুধু দামি দামি সরঞ্জাম কিনে ঘর না ভরে, প্রয়োজনীয় দ্রব্যটি কিনুন। এগুলোর নিয়মিত যত্ন নিন।
