ইয়াবা কুরিয়ারে পাঠিয়ে বিমানে ওঠেন কারবারিরা

আপডেট : ২০ মে ২০১৯, ০০:৩৫

কোনোভাবেই ইয়াবা বেচাকেনা বন্ধ করা যাচ্ছে না। বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন যানবাহন এবং কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার থেকে ইয়াবা পাঠিয়ে কারবারিরা ওঠেন বিমানে। ঢাকায় এসে তারা সেই ইয়াবা গ্রহণ করছেন। গতকাল রবিবার রাজধানীর উত্তরার এসএ পরিবহন কুরিয়ার সার্ভিসের অফিস থেকে এক লাখ পিস ইয়াবা জব্দ করেছে র্যাব-৩। এ চালানটি কক্সবাজার থেকে এসএ পরিবহনের মাধ্যমে পাঠিয়েছিল মীর কাশেম ও মোরশেদ আলী নামে দুই ইয়াবা কারবারি। তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বাড়ি কক্সবাজারে।

র্যাব জানিয়েছে, এক লাখ পিস ইয়াবার চালানটি কাশেম ও মোরশেদ    ঝিনুকের তৈরি কানের দুল এবং চুলের ক্লিপের আড়ালে ঢাকায় এনেছে। ঈদকে সামনে রেখে এই চালান আনা হয়েছে। এসএ পরিবহনের অফিস থেকে তাদের গ্রেফতারের পর দুপুর ২টায় ঘটনাস্থলেই র্যাব-৩ ব্রিফিং করে। ব্রিফিংয়ে র্যাব-৩ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল ইমরানুল হাসান বলেন, ঈদকে সামনে রেখে অভিনব কৌশলে তারা ইয়াবার বড় চালানটি ঢাকায় এনেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় কক্সবাবাজারের লাবণী পয়েন্টের কাছে এসএ পরিবহনের অফিসে ঝিনুকের তৈরি কানের দুল ও চুলের ক্লিপের আড়ালে ইয়াবাগুলো একটি নম্বর দিয়ে ঢাকায় পাঠানো হয়। শনিবার বিকালে তারা একটি বিমানে করে ঢাকায় আসেন। গতকাল রবিবার দুপুরে ইয়াবার চালানটি এসএ পরিবহনের উত্তরা অফিস থেকে গ্রহণ করতে গেলে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় এসএ পরিবহনের গাফিলতি রয়েছে বলে জানান তিনি। র্যাবের একটি সূত্র জানিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া কাশেম আনসার বাহিনীর চুক্তিভিত্তিক সদস্য। এই পেশার আড়ালে সে ইয়াবার কারবার করে।