প্রায় আড়াই মাসের সফরে গত ১ মে দেশ ছেড়েছিল বাংলাদেশ দল। প্রথম গন্তব্য ছিল আয়ারল্যান্ড। যেখানে দিগন্তজোড়া সফলতার দেখা মিলেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার বহুজাতিক টুর্নামেন্টের ট্রফি জিতেছে বাংলাদেশ। আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজের মিশন সফলভাবে শেষ হয়েছে। এবার সফরের মূল অংশে প্রবেশ করছে টাইগাররা।
শনিবার রাতে ডাবলিন ছেড়েছে বাংলাদেশ দল। গতকাল সকালে লন্ডনে পৌঁছে সরাসরি লেস্টার সিটিতে চলে গিয়েছে পুরো দল। আর এখানেই আগামী কয়েকদিন বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে সময় কাটাবেন ক্রিকেটাররা। বিশ্বকাপ মিশনের শুরুটা লেস্টারেই হচ্ছে। এখন বিশ্বকাপের দেশে অবস্থান করছেন সাকিব-মুশফিকরা।
ইতোমধ্যে গতকাল দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন মিডিয়া ম্যানেজার রাবিদ ইমাম ও অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের প্রধান মঞ্জুর মোরশেদ। গতকাল বিকালে মিডিয়া ম্যানেজার জানিয়েছেন, আজ (গতকাল) স্থানীয় সময় দেড়টায় গ্রেস রোডে ঐচ্ছিক অনুশীলন ছিল। তবে ভ্রমণক্লান্তির কারণে বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই বিশ্রামে আছেন। কয়েকজন ব্যক্তিগতভাবে হোটেলে জিম করেছেন। নেটে ব্যাটিং করেছেন শুধু মুশফিকুর রহিম ও সাইড স্ট্রেইনের কারণে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল মিস করা সাকিব আল হাসান।
ডাবলিন থেকেই সংক্ষিপ্ত ছুটিতে দেশে ফিরেছেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। ছুটি নিয়ে তামিম ইকবালও দুবাই গিয়েছেন পরিবারের কাছে। ডাবলিন থেকে বিশ্বকাপ দলের ১৩ ক্রিকেটার, কোচিং স্টাফের সদস্যরাসহ গতকাল লেস্টারে এসেছেন। এখানে আগামী ২৩ মে পর্যন্ত অনুশীলন করবেন মাহমুদউল্লাহ-সৌম্য সরকাররা। তারপর বাংলাদেশ দল যাবে কার্ডিফে। আগামী ২৪ মে থেকে আইসিসির বিশ্বকাপ আয়োজনে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবেন টাইগাররা। ২৩ মে লন্ডনে অধিনায়কদের আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে থাকবেন মাশরাফি। তাই ২২ মে আবার দেশ ছাড়বেন তিনি।
কার্ডিফে আগামী ২৬ ও ২৮ মে আইসিসির নির্ধারিত দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান ও দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হবে মাশরাফি বাহিনী। ২৯ মে কার্ডিফ থেকে লন্ডনে ফিরবে দল। আগামী ২ জুন ওভালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ।
