ভিডিও এডিটর

আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০১৩, ২০:০৫
নাটক, সিনেমা, টেলিফিল্ম, ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান কিংবা কোনো অনুষ্ঠানের ধারণ করা ভিডিও অথবা মিউজিক ভিডিও, যা-ই দেখি না কেন, প্রাথমিক পর্যায়ে সবই ধারণ করা হয় এলোমেলোভাবে। তাই ভিডিও ধারণের পর একটি দৃশ্যের পর আরেকটি দৃশ্য পরিপাটি করে সাজিয়ে দর্শকের দেখার উপযোগী করে তোলা হয়। যেটাকে বলা হয় ভিডিও এডিটিং। আর এ কাজটি যারা করেন, তারাই ভিডিও এডিটর। নিজেদের মেধা এবং মননকে কাজে লাগিয়ে এই সেক্টরে সফল হয়েছেন এমনই একজনের কাছে জানব এ পেশায় ক্যারিয়ার গড়তে তার পরামর্শ। সেই ছেলেবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতেন নিজের কাজের ক্ষেত্রটি হবে চলচ্চিত্র নিয়ে। সেই স্বপ্ন পূরণ করে আজ তিনি প্রজন্মের মেধাবী ফিল্ম এডিটর সামির আহমেদ। চলচ্চিত্রের প্রতি ছেলের এই আগ্রহে মা-ও অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। তার অনুমতিতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করে ভর্তি হয়েছিলেন ভারতের পুনাতে অবস্থিত ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ায়। সেখানেই সামির এডিটিং বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন। বর্তমানে তিনি এডিটিংয়ের পাশাপাশি নির্দেশনার কাজও করছেন। ২০০৪ সালে নিজের প্রোডাশন হাউজ গাঁও প্রোডাকশন দিয়ে এই যাত্রা শুরু করেছিলেন। এ পর্যন্ত ৮০টি বিজ্ঞাপন বানিয়েছেন। এই পেশার প্রতি আগ্রহীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মূলত এডিটিংটা মন থেকে আসে। যে পেশায় মন থেকে জড়িয়ে যাওয়া যায় সে পেশার চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে! আমি নিজেকে এ পেশার সাথে যুক্ত করতে পেরে আনন্দিত। চলচ্চিত্র একটি দেশের সেই সম্পদ যা বহন করে সেদেশের মানুষের চিন্তা, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। আর এ কারণেই বরাবরই চলচ্চিত্রর প্রতি মানুষের আগ্রহ বেশি। এডিটিং হচ্ছে চলচ্চিত্রের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। তাই এ বিষয়টির প্রতিও নতুন প্রজন্মের অনেক আগ্রহ। তবে এডিটিংয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনাটা খুবই জরুরি। নতুনদের অবশ্যই এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে।’