প্রজন্মের ভিনদেশি

ভিনদেশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সফল মুখ

আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০১৩, ২০:০৫
ন গো জি কা ন ই রো নগোজিকা আফ্রিকান লেখিকা। তিনি পশ্চিম অফ্রিকাতে বাস করেন। তিনি নিজেও আফ্রিকান ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্য। তিনি কলম হাতে নিয়েছেন খুব অল্প বয়সে। তার উদ্দেশ্য ছিল নিজের নৃ-গোষ্ঠীকে বিশ্বের সবার সামনে হাজির করা। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর ভেতরের ভাবনাগুলো যে উন্নয়নশীল সেকথা সবাইকে জানাতেই তিনি লেখালেখি শুরু করেন। আইবো নামের গোষ্ঠীতে জন্ম ও বেড়ে ওঠা তার। সেখানকার পরিবেশ ছেড়ে কখনও বাইরে যাননি। যদিও লেখালেখির সুবাদে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দেওয়ারও সুযোগ পেয়েছিলেন অনেক পরে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে যাননি তার গোত্রের কথা ভেবে। কারণ নইরো মনে করেন, তিনি চলে গেলে তাদের কথা বলার কোনো মানুষ থাকবে না। তিনি আজ তার নৃ-গোষ্ঠীর গল্প বলে সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে ব্যাপক পরিচিত হয়ে উঠেছেন। ০০০ লি - ই য় ং এম পাওয়ার ডেভেলপস নামের একটি ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানিতে কাজ করেন লি-ইয়ং। তার কাজটা একটু ঝুঁকিপূর্ণ হলেও বেশ ভালোবাসার সাথেই কাজ করেন তিনি। কাজটাকে খুব পছন্দও করেন। তিনি মূলত একজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্য। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশভিলে তার পরিবারের সাথে থাকেন তিনি। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে কাজ করতে এসে অন্য সব মানুষদের থেকে কিছুটা বেশি পরিশ্রম করতে হয়েছে তাকে। কিন্তু তিনি সেগুলোকে একপাশে সরিয়ে তার মতো করে কাজ করে গেছেন। মূলত সোলার পাওয়ার নিয়ে কাজ করে তাদের কোম্পানি। সোলার পাওয়ারে এই কাজের সাথে জড়িয়ে তিনি নিজের ভাগ্য বদলে নিয়েছেন, শুধু তাই নয়, তিনি তার গোষ্ঠীর অনেককে তার সাথে সাথে এ কোম্পানিতে কাজের সুযোগ করে দিয়েছেন। ০০০ ডো না ফ্যা নি ং ডোনা ফ্যানিং একটি এনজিওতে কাজ করেন। তিনি ডাব্লিউ-ও-ডাব্লিউ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করছেন বেশ কয়েক বছর ধরে। এ কোম্পানির পুরো নাম হলো, ওয়ার্ল্ডস অব ওয়ার্ক। তাদের কোম্পানির মূল কাজ হলো শিক্ষা দান করা। দেশে-বিদেশে এমন কিছু বঞ্চিত শিশু রয়েছে যারা পরিবারের কাছ থেকে সহায়তা পান না তাদের পড়াশোনা চালানোর। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্য হওয়ার কারণে অনেক শিশুই পায় না তাদের যোগ্য জায়গাটা। আর এসব বঞ্চিত শিশুদের নিয়েই কাজ করেন ডোনা। তিনি একজন আমেরিকান। খুব ছোটবেলায় তিনি প্রথম অনুভব করেন যে, তিনি অসহায় বঞ্চিত শিশুদের নিয়ে কাজ করতে চান। তিনি টিভিতে এমন বিষয়ের উপর নির্মিত একটি তথ্যচিত্র থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। বলা যায়, তিনি চান পৃথিবী বদলে দিতে।