প্রধান দু’ দলের মধ্যে রাজনৈতিক সমঝোতার জন্য ২০ নভেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সমঝোতা হলে প্রয়োজনে নির্বাচন পিছাতেও রাজি ইসি। ইসির দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইসি সমঝোতার উদ্যোগ নেবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে গতকাল রবিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমেদ বলেন, এ বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনাররা ইত্তেফাককে বলেছেন, সংসদ বহাল রেখে এবং সমঝোতা ছাড়া আগামী নির্বাচন কঠিন হবে। তবে সাংবিধানিক দায়িত্ব হওয়ায় তারা নির্বাচন আয়োজন করতে বাধ্য। তবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার ক্ষেত্রে কমিশন অনেকটা ধীরে চলো নীতি অবলম্বন করেছে। রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে আরো সময় নিতে চায় কমিশন। সকলের মতামত নেয়ার জন্য সাত দিনের সময় দিয়ে গতকালই আচরণবিধি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। চলতি মাসের শেষভাগে অথবা ডিসেম্বরের প্রথমে তফসিল ঘোষণার পরিকল্পনা রয়েছে। আর নির্বাচন হতে পারে জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি অনেকটা চূড়ান্ত করা হয়েছে। নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসাবে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বিশেষ সফটওয়ারের মাধ্যমে ফলাফল ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ওই সফটওয়ারের মাধ্যমে কমিশনাররা শেরেবাংলা নগরে বসেই দেশের সব আসনের ফলাফল দ্রুত জানতে পারবেন।
সিইসির প্রেস ব্রিফিং
গতকাল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় কমিশনের সভা। সভা শেষে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে সিইসি বলেন, ‘আদালতের রায়ের কপি হাতে পেলেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তিনি বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী সময়ের মধ্যে তফসিল ঘোষণা হবে। আমরা ৪০-৫০ দিন সময় হাতে রেখে তফসিল ঘোষণা করবো।
আলোচিত রাজনৈতিক দল বিএনএফকে নিবন্ধন প্রদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তাদের সম্পর্কে রিপোর্ট আমাদের হাতে এসে পৌঁছেছে। তবে আমরা এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি।’
তফসিলের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংলাপে বসবেন কিনা জানতে চাইলে সিইসি বলেন, এখনো এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়নি।
