গার্মেন্টস খাতে মজুরি বোর্ডের প্রস্তাবিত ন্যূনতম মজুরি ৫ হাজার ৩০০ টাকা প্রত্যাখ্যান করেছে মালিক পক্ষের সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ। সংগঠন দুটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আজকের মধ্যে ওই প্রস্তাবের বিষয়ে মালিকদের পক্ষ থেকে আপিল করা হবে। সরকার প্রধানের সাথেও আলোচনা করা হবে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তাদের আবেদন অনুযায়ী মজুরি না কমালে এরপর থেকে সব গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ করে দেয়া হবে। সেই সঙ্গে তারা জানিয়েছেন, গার্মেন্টস ব্যবসা থেকে উদ্যোক্তারা বেরিয়ে যেতে চান। এক্ষেত্রে তারা সরকারের কাছে ‘এক্সিট পলিসি’ চান। গতকাল মঙ্গলবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে এসব কথা বলা হয়। গত সোমবার মজুরি বোর্ড প্রস্তাবিত মজুরির বিষয়ে তাদের অবস্থান জানাতে এ সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। বিজিএমইএর সভাপতি আতিকুল ইসলাম এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় উভয় সংগঠনের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আতিকুল ইসলাম বলেন, মজুরি বোর্ড এক তরফাভাবে এ সিদ্ধান্ত দিয়েছে। এ খাতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের পরিমাণ প্রায় ৭০ শতাংশ। সামপ্রতিক রাজনৈতিক সহিংসতাসহ নানামুখি কারণে এ শিল্পের সংকট তুলে ধরে তিনি বলেন, জোর করে কোন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিলে এসব শিল্প বন্ধ হয়ে যাবে।
বিকেএমইএ’র সভাপতি সেলিম ওসমান বলেন, যে প্রস্তাব করা হয়েছে তা যে শ্রমিক শিক্ষানবিশ হিসেবে আসবে তার জন্য। বিদ্যুত্-গ্যাসের সমস্যা, বাড়ি ভাড়া বাড়ছে, ব্যাংকের উচ্চ সুদ হার, পরিবহন ব্যয় আর উেস কর বেড়েছে কয়েক গুণ। এই অবস্থায় আমাদের কাঁধে আরো ভার দেয়া হচ্ছে। এটি মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা।
সাংবাদিক সম্মেলনে এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি এসএম মান্নান কচি, শহীদুল্লা আজিম, বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, আসলাম সানি। এর আগে বিজিএমইএ সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে জরুরি সভা করে।
