আজ ৭ নভেম্বর। ৩ নভেম্বর থেকে বিদ্রোহ, অভ্যুত্থান ও ক্যু-পাল্টা ক্যুর অরাজক অবস্থার মধ্যে তত্কালীন জাসদের সামরিক শাখা গণবাহিনীর নেতা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীতে বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার সদস্যরা বিদ্রোহ করে। এরপর গৃহবন্দী মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে সৈনিকরা। অন্যদিকে দিনকয়েকের জন্য সেনা নেতৃত্বে আসা খালেদ মোশাররফ পদচ্যুত হন। জিয়া মুক্ত হয়েই সেনাবাহিনী ও রাষ্ট্রক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ নেন।
জেনারেল জিয়ার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আসার দিনটিকে বিএনপি ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে। জাসদ এ দিনে পালন করে ‘সিপাহী জনতার অভ্যুত্থান দিবস’। আর আওয়ামী লীগ দিনটি পালন করে ‘মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস’ হিসেবে।
দিনটি উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ৭ নভেম্বর জাতীয় জীবনে এক ঐতিহাসিক দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সৈনিক জনতা রাজপথে নেমে এসেছিল গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে। তাই দিনটি তাত্পর্যপূর্ণ।
