উপজেলার একমাত্র সরকারি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের বিভিন্ন সমস্যা দীর্ঘদিনের। ১৯৮০ সালে ৩শ’ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয় । বর্তমানে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৬ শ’। জেনারেল ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কসপ,কম্পিউটার,ওয়েল্ডিং,ফার্ম মেশিনারী এ ৪টি ট্রেড চালু আছে বর্তমানে । ২৩ জন শিক্ষকের কথা থাকলেও বর্তমানে শিক্ষকের সংখ্যা ১১ জন । এর মধ্যে ইউডিএ কাম একজনকে হেড অফিসে ডেপুটেশনে দেয়ার কারণে অফিসিয়াল কাজে মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। ইংরেজী,পদার্থ,রসায়ন বিষয়সহ ট্রেড বিষয়ের শিক্ষক স্বল্পতার কারণে যথাযথভাবে পাঠদান করা সম্ভব হচ্ছে না । প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোঃ আজিজুল ইসলাম ভুঁইয়া জানান, ৩ জন এম এল এস এস, প্রধান সহকারী ১ জন, নিম্নমান সহকারী ১ জন,অফিস সহকারী ১ জন, ও স্টোরকিপারের পদ শূন্য থাকার কারণে অফিসের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে । এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরও কোন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। ৩২ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়নি। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য হোস্টেল না থাকায় দূর দূরান্তের ছাত্র-ছাত্রীরা বাড়ি থেকে এসে ক্লাশ করতে হচ্ছে। বৃষ্টি বাদলের দিনে ছাত্র-ছাত্রীদেরা রীতিমত ক্লাশে আসতে পারে না। বাউন্ডারি ওয়াল না থাকায় বহিরাগত বখাটে লোকজন সন্ধ্যার পর কলেজ মাঠে জমে মদ এবং গাঁজার আড্ডা। তা ছাড়া কলেজ মাঠ থেকে পাশের বাড়ির লোকজন রাতের অন্ধকারে মাটি কেটে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ কলেজ কর্তৃপক্ষের ।
