শিশুর জন্য চাই আনন্দময় শিক্ষা

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৩, ২১:৩০
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষাদানের পাশাপাশি ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষক উভয়ের বিনোদন প্রয়োজন। তাই প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনে সরকারের প্রচেষ্টায় কোরিয়ান সরকার বাংলাদেশের সকল উপজেলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি করে এবং দেশের ৫৪টি পিটিআইতে দুটি করে ডিজিটাল পিয়ানো দিয়েছে। তাছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারিভাবে প্রাপ্ত হারমোনিয়াম, ডুগি, তবলা, জিপসি, মন্দিরা ইত্যাদি তো আছেই। বিনোদনকে আরো একধাপ এগিয়ে দিয়েছে বিভাগীয় আন্তঃপিটিআই ক্রীড়া ও সাহিত্য সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। এখানে শুধু পিটিআই-ই সম্পৃক্ত নয়, পারফর্মারদের শ্রেষ্ঠত্ব বাছাইয়ের পর্ব আনুষ্ঠানিকভাবে আয়োজন করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। শিক্ষাক্ষেত্রে বিনোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে কোনো শিক্ষার্থীর যদি কোনো বিষয়ে অনীহা প্রকাশ পায় কিংবা লেখাপড়া ভালো না লাগে সেক্ষেত্রে সেই প্রতিষ্ঠানের সংগীত চর্চা যদি তার ভালো লাগে তাহলে সে ভালোলাগাটুকুও তার এই অপারগতার পরিবর্তে সফলতাও বয়ে আনতে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীর ভালোলাগার ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে। বিনোদন মানুষের কর্মে প্রেরণা জোগায় ও কর্মকে গতিশীল করে। একজন শিক্ষার্থী তার এই ভালোলাগাকে প্রাধান্য দিয়ে এ বিষয়ের ওপর প্রতিষ্ঠিতও হতে পারে। বর্তমানে পিটিআইগুলোতে বিনোদনের মাধ্যমে আনন্দমুখর পরিবেশ তৈরি করে প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সুন্দর ও গঠনমূলক শিক্ষাদান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। বিনোদনের মাধ্যমে দেশের সকল পর্যায়ের শিক্ষাব্যবস্থায়, সকল স্তরের শিক্ষার্থীর শিক্ষার ভিত স্থায়ী হোক—পরিশেষে এই প্রত্যাশা। পাবনা