স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, সংসদীয় কাঠামোর বাইরে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে আলোচনার উদ্যোগ নেয়ার সুযোগ নেই। সংসদীয় বিধির বাইরে আমার উদ্যোগ নেয়ার এখতিয়ার নেই। তবে সংসদে আলোচনার সুযোগ রয়েছে। দুই দলের মাঝে যে মতপার্থক্য রয়েছে তা একমাত্র আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা সম্ভব। আমি মনে করি, সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে আলোচনার আশা শেষ হয়ে যায়নি। গতকাল একটি হোটেলে ভারতীয় হাইকমিশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের স্পিকার এসব কথা বলেন। স্পিকার জানান, আজ ১০ নভেম্বর সংসদের মেয়াদ আরো বাড়ানো হবে। কারণ, বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ বিল রয়েছে যা পাসের অপেক্ষায় রয়েছে। এসব বিল সংসদে উঠবে। ফলে সংসদের মেয়াদ আরো কিছুদিন বাড়তে পারে।
এদিকে, বিএনপির কয়েকজন সংসদ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে স্পিকার হিসাবে এ ব্যাপারে তিনি কোন ভূমিকা নেবেন কি না- এ প্রসঙ্গে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, এটা আইনের বিষয়। এ ব্যাপারে আমার কিছু বলার নেই।
ইন্টারন্যাশনাল টেকনিক্যাল এন্ড ইকোনমিক কো-অপারেশনের আওতায় (আইটেক) বাংলাদেশের শিক্ষার্থী যারা ভারতে বিভিন্ন স্কলারশিপ ও রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণে গিয়েছিলেন তাদের নিয়ে ‘আইটেক ডে’ প্রীতি সম্মিলনের আয়োজন করে ভারতীয় হাইকমিশন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার পংকজ শরন। এছাড়া ভারতে ভ্রমণ ও বিভিন্ন কোর্সে অংশ নেয়ার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন শামীম এহসানুল হক, এশা শামীমা মান্নান, রূপা নাহার ও কাজী ফাহরিবা মুস্তাফা।
পংকজ শরন বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশের উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে এগিয়ে যেতে চায়। কারণ, দুই দেশের সমস্যাগুলো এক। সেই চলার পথে আজকের এই তরুণরাই আগামীতে দুই দেশের মাঝে সম্পর্কের নতুনতর সেতু রচনা করবে। কারণ বাংলাদেশের একজন তরুণের উন্নতি ঘটলে তাতে ভারতও উপকৃত হবে। সে কারণে ভারত সরকার বাংলাদেশের তরুণদের বৃত্তি দিতে বিশেষ দৃষ্টি রাখে। এ ধরনের সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের তরুণরা যেমন ভারত সম্পর্কে জানতে পারবে তেমনি ভারতের মানুষও বাংলাদেশ সম্পর্কে জানতে পারবে। দুই দেশের সম্পর্ক এক নতুন মাত্রা পাবে।
