আর্কিটেক্ট

আপডেট : ১০ নভেম্বর ২০১৩, ১৯:৫৩
মেরিনা তাবাশ্যুম প্রধান নির্বাহী, মেরিনা তাবাশ্যুম আর্কিটেক্টস স্থাপত্য হলো ইমারত এবং কোনো বাস্তব কাঠামো তৈরির শিল্প এবং বিজ্ঞান। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের স্থাপত্য উন্নতি লাভ করেছে। যে স্থাপত্যরীতি বাংলাদেশে অনুশীলিত হয় তা দেশের প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্য ও বহিরাগত সাংস্কৃতিক সংযোগের পরীক্ষানিরীক্ষা ও প্রয়োগের ফসল। এই শিল্পেএ প্রতি প্রজন্মের রয়েছে দারুণ আগ্রহ। তাই এই এই শিল্পে নিবেদিত একজনের কাছে জানব এই পেশায় সফলতার জন্য তার পরামর্শ। পেশা হিসেবে এখন আর্কিটেক্ট খুবই সমাদৃত। এখন শুধু ভবনের নকশা করেই থেমে থাকা না, সব ধরনের ক্রিয়েটিভ কাজেই আর্কিটেক্টদের হাতের ছোঁয়া দেখা যাচ্ছে। প্রথমেই এই পেশা সম্পর্কে তার ভাবনার কথা জানতে চাইলে মেরিনা তাবাশ্যুম বলেন, ‘ইদানীং এ বিষয়ে মানুষের সচেতনতা অনেক বেড়েছে। আমাদের শুরুর সময়টাতে এতটা কাজের সুযোগ ছিল না। ধীরে ধীরে এ অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। এখন অনেকেই এ পেশায় আগ্রহী হচ্ছেন। মান ও শিল্পসম্মত কাজের জন্য মানুষ স্থপতিদের উপর আস্থাও রাখছেন। এ বিষয়গুলোকে ইতিবাচক বলে আমি মনে করি।’ এই সময়ে সরকারি-বেসরকারি অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্য পড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে, এই দিকটাকে কেমন চোখে দেখেন তিনি? উত্তরে মেরিনা খানিকটা দ্বিধার সাথে বললেন, ‘নতুন প্রজন্ম এ বিষয়ে পড়তে দারুণ আগ্রহী, এটা অবশ্যই আশাব্যঞ্জক। তবে খেয়াল রাখা জরুরি, যেন মানের ক্ষেত্রে আপস না করা হয়। শুধু ডিপার্টমেন্ট খুলে বসলেই হবে না, সেটার পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। আমি নিজেও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিজাইন কোর্স নিই, তাদের সাথে কাজ করতে গিয়ে দেখেছি, তাদের কিছু কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে।’ প্রসঙ্গতই জানতে চেয়েছিলাম, নতুনদের কাজ কেমন লাগে, তিনি বললেন, ‘নতুনদের মাঝে আগ্রহ রয়েছে, তবে অবশ্যই নিজের দক্ষতাটা ঝালাই করে নিতে হবে। যারা এখনও পড়ছে, তাদের সিনিয়রদের সাথে কাজ করা উচিত। এভাবে কাজের ফলে নিজের অভিজ্ঞতাটা বাড়ানো যায়, যোগাযোগের মাধ্যমটাও তৈরি হয়। আর এটা এমনই একটা পেশা যেখানে পারস্পরিক সৌহার্দ্যটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’ ছবি দীপঙ্কর দীপু