প্র জ ন্মে র ফে স বু ক

ওয়েডিং ডেকোর বাই নূসরাত

আপডেট : ১০ নভেম্বর ২০১৩, ১৯:৫৫
শৈশব থেকেই নুসরাতের সঙ্গি ছিল তিনটি জিনিস—কাগজ, কাঁচি আর আঠা। আর্ট পেপার দিয়েই তৈরি করে ফেলতেন বিভিন্ন ডিজাইনের কার্ড। কখনও সুন্দর কোনো বাক্স, কখনোবা গিফট বক্স। আর একটু বড় হতেই নিজের ডিজাইনেই বানাতেন ফুলের গয়না, খেলনা বাড়ি-ঘর। আর যার এ রকম অদ্ভুত প্রতিভা, সে তো নিজেকে ডিজাইনের সাথে সম্পৃক্ত করবেই। বলছিলাম এ প্রজন্মের একজন সফল ওয়েডিং প্ল্যানার নূসরাত নওরীনের কথা। তার গড়ে তোলা ‘ওয়েডিং ডেকোর বাই নুসরাত’ ফেসবুক পেজটি গত ২ বছরে ২৩৫৫০ জন পছন্দ করেছেন। তার সৃজনশীল ওয়েডিং প্ল্যানিং এবং ডেকোরেশন ইতোমধ্যেই তিনি পেয়েছেন দারুণ জনপ্রিয়তা। নূসরাত শুরুর দিকে মূলত গয়না ডিজাইন করে থাকলেও চাহিদার কারণেই এখন সব ধরনের ডিজাইনে মনোনিবেশ করেছেন তিনি। ‘ওয়েডিং ডেকোর বাই নুসরাত’ ফেসবুক পেজটি নিয়ে নূসরাত বলেন, ‘আসলে প্রতিটি মানুষেরই জীবনে বিয়েকে ঘিরে অন্য রকম এক উন্মাদনা কাজ করে। ওয়েডিং ডেকোরের কাজ হল, সেই উন্মাদনাটাকে উত্সবে পরিণত করা। জাঁকজমকপূর্ণ ডিজাইন দিয়ে সে আনন্দে ভিন্নমাত্রা আনা। আর যখন উত্সবে আসা অতিথিরা তাদের এই ডেকোরেশন দেখে মুগ্ধ হন, তখনই আসে মূল সফলতা। ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের করা কাজগুলোর ছবি দেখে মানুষ আগ্রহী হয়। ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করে। আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকে ক্লায়ন্টের চাহিদামতো তার কাজ করে দেওয়ার।’ এই কাজে অনেক স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন তিনি। যখন যে স্থানে কাজ করেন, সেটাকে নিজেরই ঘরবাড়ি বলেই মনে হয় তার। তিনি মনে করেন, ওয়েডিংয়ে নতুন প্রজন্মের কাজের অনেক সুযোগ রয়েছে। যা বাস্তবায়ন করতে শুধু দরকার ইচ্ছে আর মেধা। আধুনিকতা, সৃজনশীল ভাবনা ও মানুষের ব্যস্ততা এসবই ওয়েডিং জগতে জন্ম দিয়েছে নতুন এক ব্যবসায়িক ভাবনার। তাই দিন দিন এই পেশার প্রয়োজনীয়তাও বাড়তে থাকবে। আর ফেসবুক নিছক আড্ডা আর বন্ধুত্বে সীমাবদ্ধ না থেকে কাজের পরিধিতেও বাড়তি মাত্রা যোগ করবে নতুন প্রজন্মের উদ্যোগেই।