টিপস
কম্পিউটার ও ইন্টারনেট আজ আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সংবাদ, তথ্য, যোগাযোগ, কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য, সোশ্যাল নেটওয়ার্ক, বিনোদন ইত্যাদি অনেক কিছুর জন্য মানুষ এখন ইন্টারনেটের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু কেউ যদি ইন্টারনেটের উপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, ইন্টারনেটের কারণে যদি কারও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হয় এবং সিগারেট, মদ ও ড্রাগের মতো ইন্টারনেটের প্রতি যদি কেউ আসক্ত হয়ে পড়ে তখনই সমস্যা। ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে মানুষের যে ব্যাপক কৌতূহল, সার্বক্ষণিক চিন্তা, অদমনীয় ইচ্ছা, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া এবং অসংযত আচরণবোধ এ সবকিছুকেই ইন্টারনেট আসক্তি বলা যায়। যাদের ইন্টারনেটে আসক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি—
যারা আগে থেকেই অন্য কোনো কারণে উদ্বেগে রয়েছেন।
যারা বিষণ্নতায় বা একাকিত্বে ভুগছেন।
যারা ড্রাগ, অ্যালকোহল, জুয়াখেলা এবং বিকৃত রুচি ও মানসিকতায় আসক্ত।
টিনএজার—যারা রোমাঞ্চপ্রিয় ও সবকিছুতে অতি উত্সাহী।
শারীরিকভাবে যারা অলস ও ঘরকুনো।
যারা কোন কিছুকেই হালকাভাবে নিতে পারে না, সবকিছুতেই সিরিয়াস।
বাস্তব জীবনে যাদের বন্ধু-বান্ধব খুবই কম ও বিপদ-আপদে সাহায্য করার মতো কেউ নেই।
যারা অসামাজিক, লাজুক এবং মানুষের সাথে মিশতে ভয় পায়।
যারা বাস্তব জীবনের সমস্যাকে এড়িয়ে চলতে চায়।
প্রতিকার
চিত্ত বিনোদনের অন্য উপায়গুলোর মাঝে নিজেকে পরিব্যপ্ত করা।
পরিবারের সাথে দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে আরও বেশি সময় দেওয়া।
নিজের প্রকৃত দুঃখ-কষ্ট-সমস্যাগুলোকে চিহ্নিত করা এবং তা দূর করার জন্য সচেষ্ট হওয়া।
অসামাজিক, লাজুক বা ঘরকুনো স্বভাব থাকলে তা পরিবর্তন করা।
প্রয়োজনে মানসিক বিশেষজ্ঞের দ্বারস্থ হয়ে চিকিত্সা নেওয়া।
ধাপে ধাপে ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় কমিয়ে আনা।
মডেল এ্যানি ছবি আশীষ সেনগুপ্ত
