হুমায়ূনের জন্মদিনে নানা আয়োজন

আপডেট : ১২ নভেম্বর ২০১৩, ২১:১৬
মরিলে কান্দিস না আমার দায় রে যাদু ধন-মরিলে কান্দিস না আমার দায়— হুমায়ূন বিহনে আজ পালিত হবে জন্মদিন। তার শোক আজো লালন করছে লক্ষ পাঠকের হূদয়। তার স্মরণে আয়োজন করা হয়েছে বইমেলা। প্রদর্শিত হবে হুমায়ূন নির্মিত চলচ্চিত্র। তিনি না থাকলেও জন্মদিনের আনন্দটাকে যেন ধরে রাখতে চান তার পরিবারের সদস্য, শুভানুধ্যায়ীরা। সেজন্যই গতকাল রাত ১২-১ মিনিটে কেক কাটা হলো ধানমন্ডির ‘দখিন হাওয়ার’ বাড়িতে। উপস্থিত ছিলেন হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন, দু্ই ছেলে নিষাদ ও নিনিত, ‘অন্যদিনে’র প্রকাশক মাজহারুল ইসলাম, ‘অবসরের’ প্রকাশক আলমগীর হোসেন, অভিনেত্রী তানিয়া আহমেদ, সঙ্গীতশিল্পী টুটুল, চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ইবনে হাসান, কনা রেজা, আর্কিটেক্ট ফজলুল করিম প্রমুখ। কেক কাটা হয় ‘নুহাশ পল্লী’তেও। ‘হিমু’ বেশে কয়েকজন তরুণ রাত ১২-১ মিনিটে কেক কেটে স্মরণ করে প্রিয় লেখককে। নুহাশ পল্লীর পক্ষ থেকেও কেক কাটা হয়। সেইসঙ্গে পুরো নুহাশ পল্লীতে মোমবাতি জ্বালানো হয়। মোমের আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে পুরো পল্লী। নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে শোভাযাত্রা, আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়েছে। নুহাশ পল্লীতে আজ রয়েছে কোরআনখানি, দোয়া মাহফিল। পাশের মাদ্রাসার এতিম ছাত্রদের খাওয়ানোর আয়োজন হয়েছে। ঘরোয়াভাবে কেক কাটার পাশাপাশি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠন হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন উদযাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের প্রকাশকবৃন্দ আয়োজন করছে ‘হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের একক মেলা’। আজ বুধবার বিকালে কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগার চত্বরে এমিরেটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান এর উদ্বোধন করবেন। পাঁচদিনের এই বইমেলা চলবে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল সাড়ে দশটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত মেলা সকলের জন্য উন্মুক্ত। প্রতিদিন সন্ধ্যায় মেলা মঞ্চে থাকছে অনুগল্প পাঠ, স্বরচিত কবিতা পাঠ, আবৃত্তি ও পথনাটক। জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে আজ প্রদর্শিত হবে হুমায়ূন আহমেদ নির্মিত সবশেষ চলচ্চিত্র ‘ঘেঁটুপুত্র কমলা’। প্রদর্শনীটি সবার জন্য উন্মুক্ত।