আজ ১৪ নভেম্বর। ভুরুঙ্গামারী হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনীর প্রবল আক্রমণে পরাস্ত পাকবাহিনী ভুরুঙ্গামারী থেকে পিছু হটে। এই যুদ্ধে পাকবাহিনীর ২৫ পাঞ্জাব রেজিমেন্টের অধিনায়ক ক্যাপ্টেন আতাউল্লাহ খানসহ বহু পাক সেনা নিহত হয়।
১৩ নভেম্বর মধ্যরাতে ৬ নং সেক্টর কমান্ডার, উইং কমান্ডার এম.কে বাশারের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর ষষ্ঠ মাউন্টেন ডিভিশনের ব্রিগেডিয়ার যোশীর সহযোগিতায় পাকবাহিনীর উপর তিনদিক থেকে আর্টিলারী আক্রমণ চালায়। বিধ্বস্ত পাকবাহিনী ভোরে ভুরুঙ্গামারী থেকে পিছু হটে নাগেশ্বরীর দিকে আসার সময় জয়মনিরহাটে (শহীদ সামাদ নগর) মুক্তিবাহিনীর আর একটি দলের (কাটওফ পার্টি) প্রবল আক্রমণে পড়ে তাদের অনেক সৈন্য হতাহত হয়। ৬নং সেক্টরের সাহেবগঞ্জ সাবসেক্টর পরিচালিত এ যুদ্ধ এ অঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় অধ্যায়। সূর্যোদয়ের সাথে ভুরুঙ্গামারী হানাদার মুক্ত হয়।
স্মরণীয় এ দিনটিকে উদযাপনের জন্য ভুরুঙ্গামারী প্রেসক্লাব সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে বিজয় শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
