জীবনে প্রেমটা হয়তো অনিবার্য নয়। তবে নানা ধারায় আর নানা কারণে প্রেমময় সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছেন এমন মানুষের সংখ্যা আমাদের চারপাশে নেহাত কম নয়। কিন্তু আপনি যদি এখন বা অতীতের কোনো সময়ে প্রেম করেই থাকেন তাহলে প্রিয়তমার সাথে কথা বলার জন্য কোন স্থানটিকে প্রাধান্য দিতেন আপনি? এক্ষেত্রে কেউ হয়তো ক্যাম্পাস, রেস্তোরাঁ বা পার্কের মতো কোনো স্থানের কথা বলবেন, আবার কেউ হয়তো বলবেন অন্য কোনো মনোরম বা হৈ-হল্লামুক্ত স্থানের কথা। কিন্তু কখনও কেউ কি ভেবেছেন যে প্রেম করার জন্য অফিসও বেশ চমত্কার একটি স্থান হতে পারে? তবে আপনার ভাবনাতে আসুক কিংবা না-ই আসুক, সম্প্রতি এক অনলাইন জরিপে কিন্তু অফিসকেই প্রেম করার জন্য সবচেয়ে আদর্শ স্থান বলে মত দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রেমিক-প্রেমিকারা। এমনকি প্রেমের সম্পর্কে বিপরীত লিঙ্গের মানুষটি নির্বাচনের ক্ষেত্রেও সহকর্মীরাই এই দলটির কাছে অগ্রগণ্য। সম্প্রতি ব্রিটেনের একটি ওয়েবসাইট দুই হাজার নারী-পুরুষের ওপর পরিচালিত এক জরিপের বরাত দিয়ে জানিয়েছে শতকরা আশি ভাগ ব্রিটিশ চাকরিজীবীই তাদের সহকর্মীদের সাথে প্রেম করতে চান। আর এভাবে সহকর্মী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে শতকরা ৭৩ ভাগ নারী তাদের চেয়ে উর্ধ্বতন পদে চাকরি করে এমন কাউকে এবং অধিকাংশ পুরুষ অপেক্ষাকৃত কম বয়সী সহকর্মীদেরকে তাদের পছন্দ-তালিকার শুরুতে রেখেছেন। এ ছাড়া পুরুষ সহকর্মীর দৃঢ়চেতা মনোভাব ও নারী সহকর্মীর সৌন্দর্য যে অফিস-প্রেমের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিষয় সেটিও উঠে এসেছে এই জরিপের মধ্য দিয়ে। এদিকে অফিসে প্রেম বা সহকর্মীর সাথে প্রেমের প্রতি এই আকর্ষণের কারণটিও বেশ যৌক্তিকভাবেই উঠে এসেছে এই জরিপে। এতে সকলে প্রায় এক বাক্যেই জানিয়েছেন যে, ভালোভাবে জীবিকা অর্জনের জন্য একজন নারী বা পুরুষকে এখন যে পরিমাণ সময় অফিসের চার দেয়ালের মাঝে কাটাতে হয় তাতে করে প্রেমময় কোনো সম্পর্কের জন্য আলাদা করে সময় বের করাটাই তাদের জন্য কষ্টকর হয়ে দেখা দেয়। আর তাই অফিসের চৌহদ্দিতেই যদি প্রিয় কারও দেখা মেলে তাহলে কাজের পাশাপাশি মধুরতম এই সম্পর্কটিও চালিয়ে নেওয়া যায় একই সাথে।
