দৈনিক ইত্তেফাকে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে সাঁথিয়ার কাগেশ্বরী ডি-২ ক্যানালের মুখ খুলে দিতে বাধ্য হলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। জানা যায়, বেড়ার কৈটোলা পাম্প হাউজ থেকে সাঁথিয়া মুক্তরধর পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রায় ৩০ কিলোমিটার নিষ্কাশন খাল রয়েছে। এ খাল দিয়ে বর্ষা শেষে ২০টি বিলের পানি নিষ্কাশন হয়। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ক্যানালে লাখ লাখ টাকার মাছ ধরার জন্য প্রায় ১০টি স্থানে সুতি জাল পাতা হয়। ফলে সাঁথিয়া বেড়া উপজেলার প্রায় ২০টি বিলের পানি বের হতে না পারায় লাখ লাখ টাকার ধান পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দেয় । সময়মত পানি না বের হওয়ায় সরিষা, পেঁয়াজের বীজতলা, পেঁয়াজ, রসুন, ধানের চারা, মরিচ ইত্যাদি ফসল যথাসময়ে বপন করতে না পারায় কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। ইত্তেফাকে এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় টনকনড়ে উপজেলা প্রশাসকের। গত সোমবার সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম সরেজমিন গিয়ে সুতি জালের বাঁধ অপসারণ করেন। এ ঘটনায় হাজার হাজার কৃষককে আনন্দ প্রকাশ করতে দেখা যায়।
