ভিন্ন পেশায় সাফল্য

আপডেট : ২২ নভেম্বর ২০১৩, ২০:০৩
শিক্ষা পরবর্তী সময়ে একজন শিক্ষার্থীর পছন্দের পেশায় চাকরি হয়ে যাওয়া মানে সফল জীবনে প্রবেশ করার গল্প বলে সবাই মনে করে। কারণ এদেশে একটি সাধারণ পরিবারে সন্তানকে লেখাপড়া করানো হয় সে শিক্ষা শেষে চাকরি করবে এ প্রত্যাশায়। চাহিদার কাতারে থাকা হাইটেক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যাও এদেশে অনেক কম। পুরো বিশ্বে এই খাতের দ্রুত বিকাশ ঘটে চলেছে। যার ফলে এই শিল্পে প্রয়োজন পড়ছে দক্ষ প্রযুক্তিজ্ঞানসমৃদ্ধ ইঞ্জিনিয়ারদের। এই সেক্টরে দক্ষ প্রকৌশলীদের বেতন ৫ থেকে ৬ বছরের মধ্যে ২ লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে যায়। সেই সাথে বৃদ্ধি পেতে থাকে প্রতিষ্ঠানকর্তৃক প্রদত্ত অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার পরিমাণও। ১৫-২০ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতাসমৃদ্ধ এ ধরনের একজন ইঞ্জিনিয়ারের বেতন ৫ লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে যায়। অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা যেতে পারে কলেজ অব অ্যাভিয়েশন টেকনোলজির সাথে, যাদের সেন্টার কোড ৯৩১৪২ এবং কথা বলা যাবে এই নম্বরে ০১৯২৬৩০২৯৪০। এই সেক্টরে প্রফেশনাল হতে রয়েছে গ্র্যাজুয়েট ও আন্ডার গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি। এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও সর্বসমাদৃত ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষা বোর্ড বিটেক এডেক্সেলের অধীনে সম্পন্ন করার সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে ১৮ মাস পর শিক্ষার্থী পায় আন্তর্জাতিক ধারার সার্টিফিকেট লেভেল থ্রি বা এনডি। এরপর ফাইনাল ইয়ার বা চতুর্থ বছর পায় টপ আপ বিবিএ বা বিএসসি। এটি একটি প্রফেশনাল কোর্স, যা যেকোনো বিভাগ হতে যেকোনো সালে পাসকৃত শিক্ষার্থীরা এখানে পড়তে পারবে। বিশেষ করে এইচএসসি বা ‘এ’ লেভেল পাস করা শিক্ষার্থী যারা ক্রেডিট ট্রান্সফার করে ইউকে, ইউএসএ, কানাডা প্রভৃতি দেশে চলে যেতে ইচ্ছুক তাদের জন্য বেশি কার্যকরী। ফাইনাল ইয়ারে রয়েছে ১ বছর এয়ারপোর্টে ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ। আনন্দের বিষয় আগে ফাইনাল ইয়ার বা টপ আপ বিএসসি করতে দেশের বাইরে যেতে হতো এখন লেভেল-৬ সম্পন্ন করা যাচ্ছে দেশেই।