হঠাত্ করেই ভর সন্ধ্যায় ফোন পেলেন, ৭টার সময় ক্যাম্পাসের পাশের রেস্টুরেন্টে বন্ধুরা সব একসঙ্গে হচ্ছে। কিন্তু ঘড়িতে তাকিয়ে দেখলেন হাতে খুববেশি সময় নেই। আবার হুট করে তো বের হওয়া যায় না। ফ্রেশলুকের জন্য নিদেনপক্ষে মেকআপ নেওয়াটা জরুরি। এমন জরুরি অবস্থায় আমাদের অনেক সময়ই পড়তে হয়। তাই এবার চটজলদি মেকআপ সারতে রইল কিছু পরামর্শ। লিখেছেন নওশীন শর্মিলী
মেকআপ করার আগে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন। এবার ক্লেনজিং মিল্ক দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন। টোনার দিয়ে মুখ ভালো করে মুছে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। এবার স্পঞ্জ দিয়ে মুখ, ঘাড়, গলায় হাল্কা করে লাগান। ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। ফাউন্ডেশন দেওয়ার পরও মুখে যদি সূক্ষ্ম রেখা, ভাঁজ বা দাগ থাকে তা হলে কনসিলার ব্যবহার করুন। ফেস পাউডার দিয়ে ফাউন্ডেশনটা বসিয়ে নিন। এরপর চোখের মেকআপ শুরু করুন। চোখের নিচে কালি থাকলে ৩ ফোঁটা কনসিলার চোখের নিচে দিয়ে ফাউন্ডেশনের সঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। চোখের আকৃতি অনুযায়ী আই শ্যাডো লাগান। এরপর লাগান আই লাইনার আর সবশেষে মাসকারা। ফ্লাশন লাগান চিক বোন বরাবর। ফ্লাশন ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকুন তা যেন কোনোভাবে উগ্র না হয়ে যায়। লিপস্টিক এবং ফ্লাশনের রঙের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকাটা ভালো এবং মেকআপের জন্য জরুরি। লিপস্টিক লাগানোর আগে লিপলাইনার দিয়ে ঠোঁট এঁকে নিন। এরপর লিপ ব্রাশ দিয়ে লিপস্টিক লাগান। মেকআপ যতই দ্রুত করতে চান না কেন গায়ের রং বুঝে প্রত্যেকের মেকআপ করা উচিত। গায়ের রং ফর্সা হলে গাঢ় রঙের বদলে প্যার্সেল শ্যাড বেছে নিন। চোখের জন্য ব্লু বা লাভেন্ডার শ্যাড ভালো হয়। গায়ের রং কালো হলে ফাউন্ডেশন নির্বাচন করার সময় যতটা সম্ভব স্বাভাবিক গায়ের রঙের কাছাকাছি শেড ব্যবহার করুন। ফেস পাউডারের বদলে বেবি পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। লিপস্টিকের ক্ষেত্রে ব্রাউন, মেরুন, পিংক বেছে নিতে পারেন। উজ্জ্বল শ্যামলা ত্বকের জন্য হলুদ ঘেষা ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন। আই শ্যাডের ক্ষেত্রে টোনস, ব্রাউন, কপার বা পার্পল ব্যবহার করতে পারেন।
