প্রজন্ম সংবাদ

অন্যরকম সাফল্যের গল্প

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০১৩, ২০:০৫
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বাংলাদেশের অসংখ্য মেধাবী শিক্ষার্থী। লেখাপড়া করতে গিয়ে কেউ কেউ সেখানে নাগরিকত্ব নিয়ে রয়ে গেছেন আবার কেউ কেউ ফিরে এসেছেন নিজের দেশে। আর যারা বিদেশে রয়ে গেছেন তারা দেশের অর্থনীতিতে যে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে তা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। এমন একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর নাম মির্জা আকিব ইকবাল। এইচএসসি পাস করে তিনি একটু ভিন্ন ধারার কিন্তু চাহিদাসম্পন্ন বিমান ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এ উদ্দেশ্যে তিনি উত্তরায় এগার নম্বর সেক্টরের দুই নম্বর রোডের চৌদ্দ নম্বর প্লটে অবস্থিত ক্যাটেকে অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি ইংল্যান্ডের কভেন্ট্রি ইউনিভার্সিটিতে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স করছেন। অবশ্য ছোটবেলা থেকেই আকিবের স্বপ্ন ছিল, তিনি বড় হয়ে নামকরা এক প্রকৌশলী হবেন। তার সে স্বপ্ন বাস্তবায়ন হতে চলেছে। মির্জা আকিব ইকবালের বাবা-মাও ছেলের এই অভূতপূর্ব সাফল্যে দারুণভাবে গর্বিত। আকিবের এখন কেবল এগিয়ে যাওয়ার সময়। তিনি চাইলেই এখন বড় বেতনে চাকরি নিতে পারেন। আকিব জানালেন, প্রথম দিকে এইচএসসি পাস করে কোথায় কীভাবে এই কোর্স সম্পন্ন করবেন তা নিয়ে বেশ চিন্তিত ছিলেন। এর পর জানতে পারলেন ক্যাটেকে এই বিষয়ে পড়ালেখার সুযোগ রয়েছে। সেখানে ভর্তি হওয়ার পর তাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। উচ্চশিক্ষার জন্য ভিসা নিয়ে চলে এসেছেন ইংল্যান্ডের কভেন্ট্রি ইউনিভার্সিটিতে। এখন তার উড়োজাহাজ ইঞ্জিনিয়ার হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। তার স্বপ্ন ছিল, অল্প ব্যয় ও সময়ে এবং সহজে উন্নত বিশ্বে গিয়ে এ ধরনের দামি চাকরির ডিগ্রি অর্জন করবেন। তার সে ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। তিনি এখন অতি সহজেই ইংল্যান্ডে এসে পড়ালেখা করার ভিসা পেয়েছেন। এদেশ থেকে সরাসরি এই বিষয়ে পড়ালেখার জন্য ইংল্যান্ডে যেতে হয়তো ভিসা পাওয়াটা দুরূহ বিষয় ছিল। আর এজন্য শিক্ষা ব্যয়টা হতো ব্যাপক। যে অ্যাভিয়েশন কলেজে তিনি ভর্তি হয়েছিলেন তারাই তাকে এ বিষয়ে সাহায্য করেছে। আনন্দের বিষয় হচ্ছে—আজ তাকে জব অ্যাটাচমেন্ট নিয়ে চিন্তা করতে হচ্ছে না। ইংল্যান্ডের মতো একটি দেশে এমন একটি হাইটেক ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে সনদ পাওয়ার পর শুধু সেই দেশ নয়, পুরো পৃথিবীজুড়ে কাজের সুযোগ উন্মুক্ত হবে। অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এমন একটি বিষয়ে যার চাহিদা এবং কারিকুলাম পুরো বিশ্বজুড়ে একই। চাকরি ছাড়াও এর ক্রেডিট ট্রান্সফার করা যায় যেকোনো দেশে।