জেনে নিন

অস্থিরতা কাটাতে

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০১৩, ১৭:৩৯
অনেক সময় কোনো রকম ঘটনা কিংবা দুর্ঘটনা না ঘটা সত্ত্বেও দিনের পর দিন একঘেয়ে রুটিনে চলতে গিয়ে মনের মাঝে জন্ম নিতে পারে অস্থিরতা। অনেক সময়ই দেখা যায়, এই দলের অন্তর্ভুক্ত মানুষেরা তাদের সমাজ কিংবা সংসারের পরিমণ্ডলে আপাত সুখী হলেও একধরনের একঘেয়েমি থেকে ভুগতে থাকেন অস্থিরতায়। তখন মন চায়, সবকিছু ছেড়ে দূরে কোথাও চলে যেতে। তবে জীবন থেকে যেমন পালিয়ে বাঁচা যায় না, তেমনি পালানো যায় না কাজ আর পারিপার্শ্বিক সম্পর্কের বলয় থেকেও। কাজেই যদি একঘেয়ে কাজ আর সম্পর্কের কারণে কারো মনে জন্ম নেয় অস্থিরতা, তাহলে ব্যস্ততা থেকে খানিকটা অবসরই হতে পারে উত্তম দাওয়াই। চাকরি কিংবা ব্যবসায় আপনার ব্যস্ততার আপেক্ষিক গুরুত্ব যত বেশিই হোক না কেন, যথাযথভাবে কাজে মনোনিবেশ করতে চাইলে আপনাকে প্রয়োজনীয় বিশ্রাম আর অবসর নিতেই হবে। আর শত ব্যস্ততার মাঝে প্রকৃতির সান্নিধ্যে খানিকটা সময় কাটানো একজন মানুষকে যেভাবে স্থিরতা এনে দিতে পারে অন্য কিছুতেই তার বিকল্প খুঁজে পাওয়া মুশকিল। অন্যদিকে সম্পর্কের পরিমণ্ডলে থেকেও যারা ভাবেন খানিকটা সময় একটু জিরিয়ে নেওয়ার কথা, তারা কখনোই সম্পর্কের দায়বদ্ধতাগুলোকে বোঝা হিসেবে দেখবেন না। বরং প্রতিটি সম্পর্কের শত ভালোবাসা আর ভালোলাগার মাঝেও একটু জায়গা ছেড়ে দিনে অন্যের জন্য। যেখানে সে দাঁড়াতে পারবে তার স্বকীয়তা নিয়ে আর আপনি তাকে দেবেন সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার। মনে রাখবেন, সব সময় যুক্তি দিয়ে যেমন ভালোবাসা পাওয়া যায় না, তেমনি সম্পর্কের মাঝেও রাখতে হয় প্রাণখুলে শ্বাস নেওয়ার মতো একটি জায়গা। কিছু টিপস্  স্থির ভাবে বিশ্লেষণ করে দেখুন আপনি কী করছেন আর আপনার কী করা উচিত ছিল।  প্রতিদিন ন্যূনতম যে কাজগুলো করা উচিত তার একটি তালিকা তৈরি করুন এবং দিনশেষে এর কতটা করতে পারলেন আর কতটা পারলেন না তা মিলিয়ে দেখুন। চেষ্টা করুন যেন প্রতিদিনই আপনার করণীয়ের সাথে আপনার করা কাজের ব্যবধান কমে।  কাজের সময় অন্য চিন্তাগুলোকে দূরে সরিয়ে শুধু করণীয়গুলোর প্রতি শতভাগ মনোযোগ দিন।  নিজের অস্থিরতাগুলো বন্ধু কিংবা প্রিয়জনের সাথে ভাগাভাগি করে নিজেকে হালকা করুন।  একই বিষয় নিয়ে দিনের পর দিন না ভেবে নিজের চিন্তাধারায় পরিবর্তন নিয়ে আসুন।