গ্রুমিং

কথার কায়দাকানুন

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০১৩, ১৭:৩৯
নিজের ভাব প্রকাশের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে ‘কথা’। এই ‘কথা’ নিয়েই না রয়েছে কত আলোচনা বিশ্লেষণ। কথার সাথে জড়িয়ে আছে আপনার সম্পর্ক, চাহিদা, উত্থান-পতন। তাই এবার কথা বলার নানা কায়দাকানুন নিয়ে কিছু পরামর্শ। কর্মক্ষেত্রে  বসের সঙ্গে কাজ সম্পর্কে খোলা মনে আলোচনা করতে ভয় পাবেন না। সবাইকে সবকিছু জানতে হবে তার কোনো মানে নেই। কাজ নিয়ে কনফিউশন থাকলে পরিষ্কার করে জেনে নিন।  সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার সময় মার্জিতভাবে কথা বলুন। আপনার তরফ থেকে যেন সহযোগিতার মনোভাব প্রকাশ পায়। অকারণে উত্তেজিত হয়ে পড়বেন না। এমন কোনো গসিপ না করাই ভালো, যা অন্যকে আঘাত দিতে পারে।  অফিসিয়াল মিটিংয়ের সময় কী কী বিষয়ে কথা বলবেন, তা আগে থেকে নোট করে রাখুন। এতে সহজে যুক্তি দিয়ে আপনার বক্তব্য বলতে পারবেন। তবে তর্ক করতে যাবেন না।  মিটিংয়ে যখন কেউ নিজের বক্তব্য রাখছেন এমন সময় তার কথার মাঝখানে নিজের বক্তব্য না রাখাই ভালো। অনুষ্ঠান বা গেট টুগেদার  একজনের কথা পুরো শেষ হওয়ার আগে কথার মাঝখানে হঠাত্ করে চেঁচিয়ে কথা বলবেন না।  সবাই মিলে একসঙ্গে আলাপ আলোচনার সময়ে দুজনে মিলে ফিসফিস করে কথা বলবেন না। বাকিরা অস্বস্তিতে পড়তে পারেন।  কারো সঙ্গে প্রথমবার আলাপ হলে কথাবার্তার সময় বেশি ব্যক্তিগত প্রশ্ন না করাই ভালো।  কথাবার্তার সময় মতের অমিল হতেই পারে। কিন্তু অকারণে কোনোও অপ্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে তর্ক জুড়ে বসবেন না। মেজাজটাই মাটি হয়ে যাবে বরং আড্ডার মধ্যে সেন্স অব হিউমার বজায় রাখার চেষ্টা করুন। পাবলিক প্লেস  পাবলিক প্লেসে চিত্কার করে কথা বলবেন না। এতে অন্য লোকদের অসুবিধে হতে পারে। ব্যক্তিগত কথাবার্তা পাবলিক প্লেসে আলোচনা না করাই ভালো। বাড়ির কথা বাইরে আনা একেবারেই ঠিক হবে না।  পাবলিক প্লেসে মোবাইলে কথা বলার সময় যার সঙ্গে কথা বলছেন, তার অনুমতি না নিয়ে লাউডস্পিকার অন করে কথা বলবেন না।  কোনোরকম খারাপ বা কুরুচিপূর্ণ শব্দের ব্যবহার করবেন না। মনে রাখবেন আপনি বাড়িতে নয়, পাবলিক প্লেসে রয়েছেন। সুতরাং নিজেকে সংযত রাখা আপনার দায়িত্ব।  কোনো দোকানে বা রেস্তোরাঁর কর্মচারীকে ইশারায় ডাকবেন না, বা আকার ইঙ্গিতে কথা বলবেন না।  প্রয়োজনে ‘প্লিজ’, ‘এক্সিউজ মি’, ‘থ্যাংঙ্ক ইউ’-এর মতো শব্দ ব্যবহার করুন।