টিপস

ডায়েরি কেন দরকার?

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০১৩, ১৭:৩৯
আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে চলাফেরা করতে মুখোমুখি হতে হয় বিভিন্ন কাজের। এইসব কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় সবকিছু খুব এলোমেলো মনে হয়। যেন ঠিকমতো কোনোকিছু গোছানো সম্ভব হয়ে ওঠে না। অথচ সহজ একটি পন্থা অবলম্বন করলেই এই সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। আমরা সারাদিন যা করি কিংবা পরদিন কোন কাজ করব সেটা যদি ডায়েরি আকারে আমাদের সামনে থাকে তবে সব কাজ গুছিয়ে করা আমাদের জন্য সহজ একটা ব্যাপার হয়ে যাবে। সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে আমাদের দৈনন্দিন কাজের জন্য ডায়েরি লেখার অভ্যাস আমাদের খুব কাজে আসতে পারে। আর এই ডায়েরি লেখার অভ্যাসটি গড়ে তুলতে পারলে আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের কাজগুলো যেমন সহজে করা যাবে তেমনি জীবনটাকে একটি রুটিনে বেঁধে ফেলা যাবে। মানসিক প্রশান্তি পাওয়া যাবে। শুধু তাই নয়, ডায়েরি লেখার অভ্যাস থাকলে সেটা আমাদের দৈহিকভাবেও সাহায্য করতে পারে। সম্প্রতি কানাডীয় কয়েকজন গবেষক মন্তব্য করেছেন, যারা নিয়মিত ডায়েরি লেখেন, তারা কম মানসিক চাপে ভোগেন এবং তাদের রক্তচাপও হ্রাস পায়। তাদের মতে, নিয়মিত দৈনিক ১৫ মিনিট ডায়েরি লিখলে স্বীয় লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়। তারা বলেছেন, এটা পরীক্ষিত যেসব ছাত্রছাত্রী তাদের পরিবার, ধর্ম বা কৃতিত্বের কথা প্রতিদিন লেখে, তারা তাদের পরীক্ষার ফলাফলে উন্নতি করে। তাই তারা পরামর্শ দিচ্ছেন, প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর প্রতিদিন ডায়েরি লেখার অভ্যাস করা উচিত। এতে তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জন্মে এবং তাদের উদ্বেগ-উত্কণ্ঠা কমে, মানসিক শান্তি আসে। ফলে লেখাপড়ার ফল ভালো হয়। গবেষকেরা আরও বলেছেন, ডায়েরি লেখার অভ্যাস তাদের চিন্তাচেতনার পরিবর্তন আনে। নেতিবাচক চিন্তাভাবনা দূর হয় এবং ইতিবাচক চিন্তা উন্নত হয়।