খাদ্যগুণ

আলু

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০১৩, ১৭:৪৩
আলু আমাদের অতি পছন্দের একটি সবজি বা খাদ্য। বাজারে বারোমাস কিনতে পাওয়া যায় আলু। এর রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা। অনেক সময় আমাদের প্রধান খাদ্য ভাতের বিকল্প হিসেবেও কাজ করে। আলুর পুষ্টি উপাদান :কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য আলু। প্রতি ১০০ গ্রাম আলুতে উচ্চমানের ক্যালরি আছে প্রায় ৯৬ কিলোক্যালরি। ৬০ গ্রাম আলু ভাজিতে প্রায় ২৩৫ কিলোক্যালরি এবং ৪০ গ্রাম আলুর চিপসে প্রায় ২০৫ কিলোক্যালরি পাওয়া যায়। আলুতে স্বল্প পরিমাণে রয়েছে ভিটামিন ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’। আলুর খোসায় খাদ্য আঁশ আছে ১০০ ভাগ। আরও আছে আয়রন, পটাশিয়াম এবং কলিন। এতে ভিটামিন ‘বি’ আছে কিছু পরিমাণে। তাই খোসাসহ আলু রান্না করলেও তা খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। অন্যান্য গুণ :আলু শর্করাবহুল সবজি। দেহের ওজন বৃদ্ধিতে বিশেষ সহায়ক। এ খাদ্য সহজে হজম হয়। আলুকে বলা হয় অ্যাসিডিটি প্রতিরোধক। আলুতে জিংকসহ অন্যান্য উপাদান থাকায় তা ত্বকের যত্নে বিশেষ উপযোগী। আলুর সঙ্গে মধু মিশিয়ে মুখ ও শরীরে লাগালে ত্বক উজ্জ্বল হয়। তাতে হয় ফেস প্যাক। ত্বকের দাগও দূর করে। বিভিন্ন ধরনের ব্রণ নির্মূলেও বিশেষ সহায়ক। পুড়ে বা ঝলসে যাওয়া ত্বকের ওপর তা আলতো করে লাগালে কষ্ট কমে। আলুকে বলা হয় স্কার্ভি ও রিউমেটিক প্রতিরোধক। যাদের হজমের সমস্যার পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যা আছে তাদের জন্য আলু বিশেষ উপযোগী। হূদ রোগের জন্যও বিশেষ সহায়ক। তবে সমস্যা হলো আলু বেশি খেলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়ে। আলুর প্রোটিন কিডনি রোগীদের জন্য উপকারী। ডায়রিয়া হলে আলু খেলে সহজে ঘাটতি পূরণ হয় এতে অতিরিক্ত ক্যালরি থাকার কারণে। শিশুদের জন্য আলু খুবই সহায়ক খাদ্য। আলু খাওয়া যায় নানাভাবে। আলু ভর্তা সবার অনেক প্রিয় খাবার।