ধর্মীয় শিক্ষকের প্রধানশিক্ষক হওয়ার ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করা হোক

আপডেট : ০৩ মার্চ ২০১৪, ২১:১৫
আমরা বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষকগণ বিএড-এর স্কেলে বেতনভাতা পাচ্ছি। কিন্তু আমাদের ১২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও প্রধানশিক্ষক পদের জন্য আবেদন করতে পারি না। জানা যায়, ধর্মীয় শিক্ষককে প্রধানশিক্ষক হতে হলে কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। শর্তগুলো হলো—ক. কামিল করার পর জেনারেল স্নাতক (বিএ) পরীক্ষা দিতে হবে। খ. টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে বিএড থাকতে হবে। গ. ধর্মীয় শিক্ষক হিসাবে যোগদানের পর থেকে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ঘ. কামিল পরীক্ষার পরপরই স্নাতক ও টিটিসি থেকে বিএড করতে হবে—মাঝখানে কোনো বিরতি দেয়া যাবে না। আমার দাখিল ১৯৮৫ সালে; এখন দাখিলকে এসএসসি পরীক্ষার সমমান দেয়া হয়েছে। আলিম থেকে কামিল পর্যন্ত আরবি বিষয়ের পাশাপাশি বাংলা, ইতিহাস, ইংরেজি পাঠ্য ছিল। আমি কামিল করে ধর্মীয় শিক্ষক হিসাবে ১৯৯৫ সালে যোগদান করি। তারপর কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে সান্ধ্যকালীন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স, টিটিসির ভ্যানু প্রতিষ্ঠান থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একই প্রশ্নপত্রে বিএড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে (IER) এমএও (শিক্ষা ও প্রশাসন) করার পরও প্রধানশিক্ষক পদে আবেদন করতে পারছি না । আবার জেনারেল শিক্ষকদের ঠিকই টিটিসি ভ্যানু প্রতিষ্ঠান থেকে বিএড করার পর বিএড-এর স্কেলে বেতন হয়। ধর্মীয় শিক্ষকের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভিন্ন। কামিল করার পর ধর্মীয় শিক্ষককে বিএড-এর মান এবং বেতনভাতা দেয়ার পরও কেন প্রধানশিক্ষক হওয়ার ক্ষেত্রে এই বৈষম্য? বিষয়টির প্রতি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নাজমা বেগম, সিদ্ধেশ্বরী লেন, ঢাকা