হোটেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে উচ্চতর ডিপ্লোমা

আপডেট : ০৭ মার্চ ২০১৪, ১৯:২৮
হোটেল ইন্ডাস্ট্রির ক্যারিয়ার অতি বৈচিত্র্যময় এবং কাজও আনন্দময়। পৃথিবীর হোটেল ইন্ডাস্ট্রি এখন সবচেয়ে বেশি রেভিনিউ অর্জনকারী সেক্টর এবং সবচেয়ে বেশি চাকরি ও সৃষ্টি হয় এই সেক্টরে। এ অবস্থায় তরুণরা হোটেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে উচ্চতর ডিপ্লোমা বা ডিপ্লোমা কিংবা ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জন করে গড়তে পারে উন্নত ক্যারিয়ার। অন্যান্য বিষয় থেকে হোটেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন পড়ার বিশেষত্ব হলো যে এটি সম্পূর্ণ প্র্যাকটিক্যাল ওরিয়েন্টড। হোটেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন প্রোগ্রামের কোর্সগুলোর মধ্যে অধিকাংশ কোর্সে প্রায় পঞ্চাশ ভাগ প্রাকটিক্যাল ক্লাস থাকে। এছাড়া এর আরেকটি বিশেষত্ব হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্ট বা ইন্টার্নশিপ। সাধারণত থিওরি ও প্র্যাকটিক্যাল শেষে ৬ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত ইন্টার্নশিপের সুযোগ থাকে। এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ইন্টার্নশিপ থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের চাকরি নিশ্চিত হয়। সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানেই হোটেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা ম্যানেজমেন্টে ডিপ্লোমা কিংবা উচ্চতর ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির জন্য ন্যূনতম এইচএসসি পাস হতে হয়। এটি প্র্যাকটিক্যাল কেন্দ্রিক পড়াশোনা তাই ন্যূনতম এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলে গড়ে জিপিএ ২.৫ হলে ভর্তি হওয়া যায়। এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় :ইনস্টিটিউট অব ট্যুরিজম অ্যান্ড হোটেল ম্যানেজমেন্ট (আইটিএইচএম), বাড়ি-৩২০, রোড-৮/এ নতুন (১৫ পুরাতন), ধানমন্ডি আ/এ, ঢাকা-১২০৯। ফোন :৯১৩০৩৩৮ মোবাইল :০১৭১৬৮৯৪২৫৫। সাধারণত ভর্তির ক্ষেত্রে বয়স শিথিলযোগ্য। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হোটেল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ট্যুরিজম এই বিষয়ে ডিপ্লোমা ও উচ্চতর ডিপ্লোমা প্রদান করে থাকে। সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানেরই ১ বা ২ বছর মেয়াদি হোটেল ম্যানেজমেন্ট বা অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে ডিপ্লোমা প্রোগাম আছে কিন্তু শুধুমাত্র ইনস্টিটিউট অব ট্যুরিজম অ্যান্ড হোটেল ম্যানেজমেন্ট (আইটিএইচএম)-এ ৩ বছর মেয়াদি উচ্চতর ডিপ্লোমা ইন হোটেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন প্রোগ্রাম রয়েছে। এ ছাড়াও এ বিষয়ের উপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় যেমন—ইবাইস ইউনিভার্সিটি, পিপলস্ ইউনিভার্সিটি, রয়্যাল ইউনিভার্সিটি এবং আইইউবিএটি-তে এ বিষয়ের উপর ব্যাচেলর ডিগ্রি করা যায়। হোটেল অ্যাডমিনিস্টেশন বা ম্যানেজমেন্টে ক্যারিয়ারের সুযোগ যেকোনো বিজনেস কোর্স কিংবা সাধারণ ডিগ্রির থেকে অনেক বেশি। সার্বিক পড়াশোনা এবং প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং থাকলে যত ছাত্র-ছাত্রী এ বিষয়ে পড়বে প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রী নিশ্চিত চাকরি পাবে।