গরমে স্যান্ডেল ছাড়া তো চলেই না। আর স্যান্ডেলের ধরনের কথা বলে শেষ করা যাবে না। তবু মোটাদাগের ব্যতিক্রম দেখে সেরা স্যান্ডেলটির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা থেকে এ আয়োজন। এ নিয়ে এবারের আয়োজন
ফ্যাশনে দুই দিন না যেতেই পাল্টায় স্যান্ডেলের রং-ঢং। এটা যে সম্ভব হয়েছে স্যান্ডেল-সচেতন তরুণদের জন্যই, সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর কোথায় নেই এই স্যান্ডেল। ক্লাস, ক্যাম্পাস, অফিস, বাড়ি, মার্কেট, ঘোরাঘুরি কিংবা আয়োজন—সবখানে স্যান্ডেল পরেই যাচ্ছেন তরুণরা। এখনকার তরুণরা ফ্যাশনসচেতন তো বটেই, কিন্তু মনের মতো স্যান্ডেল খুঁজতে গিয়ে তাদের যে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন, তাতে এ কথা বলাই যায়, তারা স্যান্ডেলসচেতন। স্যান্ডেল অনায়াসে পরা যায় সব ড্রেসের সঙ্গে। সে রকম করেই ডিজাইন করা হয়ে থাকে। আর তাই স্যান্ডেল পরে যাওয়া যায় যেকোনো জায়গায়।
রকমফের :স্যান্ডেলের রকমফের বলে শেষ করা যাবে না। তবু মোটাদাগের বৈশিষ্ট্য ধরে কিছু কথা বলা যায়। যেমন—পায়ের গোড়ালিতে লেস পেঁচানো স্যান্ডেল, চিকন স্ট্রিপ দেওয়া গ্ল্যাডিয়েটর স্যান্ডেল, যার ফিতা গোড়ালির একটু ওপরে। পেছন দিকে চেন দেওয়া স্যান্ডেলগুলোও ব্যতিক্রম। আছে স্ট্রিপের ব্যবহারে উঁচু হিলের স্যান্ডেল, বিভিন্ন ধরনের প্রাণীর ছাপে তৈরি নকশা বা অ্যানিমেল প্রিন্টের স্যান্ডেল, দুই ফিতার স্যান্ডেল, রেক্সিনের ওপর পাথর অথবা বড় ধরনের ধাতব বোতাম বসানো, চামড়া, সিল্ক, সুতি বা ধুপিয়ান কাপড়ে তৈরি স্যান্ডেল, জরি, চুমকি, কুন্দনের কাজ করা স্যান্ডেল, বেণির মতো পাকানো ফিতার স্যান্ডেল। এই হচ্ছে মোটামুটি স্যান্ডেলের জনপ্রিয় রূপ।
যেখানে পাবেন :এলিফ্যান্ট রোডে লেদার, আর্টিফিশিয়াল লেদারসহ বিভিন্ন ধরনের কাপড়ের তৈরি দেশি-বিদেশি স্যান্ডেল আছে এখানে। হিলের ক্ষেত্রে চার ইঞ্চি পর্যন্ত আছে। নেটের কাপড়ের ওপর বিভিন্ন ধরনের কাজ করা স্যান্ডেলও বেশ পাওয়া যাচ্ছে। হালকা কাজের অরিজিনাল ও আর্টিফিশিয়াল লেদারের স্যান্ডেলগুলোর দাম ৩৫০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা। এ ছাড়া পাকিস্তান ও থাইল্যান্ড থেকে আনা বিভিন্ন ধরনের স্টোনের কাজ করা অল্প হিলের স্যান্ডেলগুলোর দাম ৬০০ থেকে দুই হাজার টাকা এবং চেন দেওয়া জুতাগুলোর দাম দুই হাজার থেকে ছয় হাজার টাকা পর্যন্ত।
