চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরে সরকারের ঘোষণা নিয়ে কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে একপক্ষ আন্দোলন স্থগিত রাখলেও অপর পক্ষ ক্যাম্পাসে সমাবেশ করেছে। জানা যায়, মেডিক্যাল ক্যাম্পাসে গতকাল শনিবার বাস্তবায়ন পরিষদের উদ্যোগে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ডাক্তাররা সমাবেশে যোগ দেওয়ায় হাসপাতালের চিকিত্সা সেবা ব্যাহত হয়। ক্লাসও বন্ধ থাকে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে কলেজের শিক্ষকরা, বিপক্ষে নার্স ও কর্মচারীরা অবস্থান নিয়েছে। হাসপাতালকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের বাইরে রাখার আশ্বাসের প্রেক্ষিতে নার্স ও কর্মচারীরা তাদের আন্দোলনের সকল কর্মসূচি স্থগিত রেখেছে। কিন্তু বিএমএ, সরকারি দলের ছাত্র সংগঠনের কতিপয় নেতা-কর্মী ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের নিয়ে সমাবেশ করায় নার্স ও কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থগিত আন্দোলনকে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন তারা।
হাসপাতালের নার্স ও কর্মচারীদের অভিযোগ সকাল ১১টা থেকে সমাবেশ শুরু হয়ে কয়েক ঘণ্টা চলে। এ সময় হাসপাতালের চিকিত্সকরা সমাবেশে যোগ দিতে গেলে চিকিত্সা সেবা কয়েক ঘণ্টার জন্য বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় বহির্বিভাগে শতশত রোগী অপেক্ষা করতে থাকে।
এ ব্যাপারে বিএমএ সভাপতি ডা. মুজিবুল হক খান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা দিয়েছে। আমরা এটার দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছি।’
