কচুয়ায় দুই প্রার্থীর অনুসারীদের সংঘর্ষ পুলিশের অস্ত্র ছিনতাই

আপডেট : ০৮ মার্চ ২০১৪, ২২:৫৬
স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরের আগমণ উপলক্ষে নিজেদের শক্তি ও জনসমর্থন দেখাতে গিয়ে গতকাল শনিবার চেয়ারম্যান প্রার্থী ইসহাক সিকদার ও শাহজাহান শিশিরের সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া থেকে এক পর্যায়ে দুই পক্ষ অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ ঘটনায় সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালীন পুলিশের পিস্তল ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্রটি উদ্ধার করে। পুুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলার একপর্যায়ে শাহজাহান শিশিরের সমর্থক পাথৈর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আক্কাস আহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে শিশিরের সমর্থকরা ঢাকা-কচুয়া সড়ক অবরোধ করে। দফায় দফায় চলতে থাকে দুই পক্ষের সংঘর্ষ। সংঘর্ষে জড়িতরা একপর্যায়ে স্থানীয় সাংবাদিক খোরশেদ আলমের সংঘর্ষের ছবি ধারণ করা ক্যামেরা ও এক পুলিশ সদস্যের পিস্তল ছিনিয়ে নেয়। এসময় পুলিশের চার সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৫ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে। পরে থানা পুলিশ ছিনিয়ে নেয়া পিস্তলটি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। প্রায় ৩ ঘন্টা পর ঢাকা-কচুয়া সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। কচুয়ার থানার ওসি আলমগীর হোসেন মজুমদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। উল্লেখ্য, আগামী ১৫ মার্চ কচুয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের ৫ এবং বিএনপির ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।