পূর্ণদৈর্ঘ্যে সিনেমার পাশাপাশি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা বা শর্ট ফিল্মগুলোও জায়গা করে নিয়েছে চলচ্চিত্রাঙ্গনে। চলচ্চিত্র দর্শকদের বিনোদনে দিয়েছে নতুন এক মাত্রা। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে এসব শর্ট ফিল্মগুলো বেশ ভালো সাড়া ফেলেছে সবার মাঝে। প্রতি বছরই এ ধরনের শর্ট ফিল্মগুলোকে পুরস্কৃত করা হয় আন্তর্জাতিক নানা আয়োজনে। এসব শর্ট ফিল্মের পেছনের মানুষ, অর্থাত্ পরিচালকদের কয়েকজনকে নিয়ে লিখেছেন প্রাঞ্জল সেলিম
রি ড লি স্ক ট
এবার সায়েন্স ফিকশন শর্ট ফিল্ম নিয়ে কাজ করেছেন ‘কিংডম অব হেভেন’ এবং ‘গ্ল্যাডিয়েটর’ খ্যাত ব্রিটিশ পরিচালক-প্রযোজক রিডলি স্কট। জানা গেছে, শর্ট ফিল্ম বা স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র বানাতে ভিডিও এন্টারটেইনমেন্ট নেটওয়ার্ক মেশিনিমার সঙ্গে কাজ করেছেন স্কট। ১২টি শর্টফিল্ম বানানো হয়েছে স্কট এবং মেশিনিমার যৌথ উদ্যোগে, যেগুলোর প্রযোজক ছিলেন স্কট। পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন স্কটের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আরএসএ-এর পরিচালকরা। সম্ভাব্য পরিচালকদের তালিকায় আছেন মার্টিন স্করসেসে, স্যাম মেন্ডেজ এবং ক্যাথেরিন বিগেলোর মতো অস্কারজয়ী পরিচালক।
প ল থ মা স
আজকাল অনেকেই শর্ট ফিল্ম বানাচ্ছেন। অতঃপর সেগুলো ফেসবুক বা ইউটিউবে শেয়ার দেওয়ার পরিমাণও বেড়ে যাচ্ছে। শর্ট ফিল্মগুলো দেখাও হচ্ছে বহুবার। ব্যাপারটা এমন, শর্ট ফিল্ম যত দর্শক দেখবে, তত বেশি ফিডব্যাক পাওয়া যাবে। বিভিন্ন ধরনের দর্শক থেকে বিভিন্ন মতামত পেয়ে বোঝা যায় শর্ট ফিল্ম এখন কতটা দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। দর্শকদের কথা মাথায় রেখে কাজ করেন এমন একজন হলেন পল থমাস। তিনি যেসব শর্ট ফিল্ম নির্মাণ করেছেন সেগুলোর প্রায় সবগুলোই পেয়েছে দর্শকপ্রিয়তা।
মা ই কে ল বে
মাইকেল বেনজামিন বে, একজন আমেরিকান চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক। তিনি মূলত হাই বাজেটের অ্যাকশনধর্মী সিনেমাতে নির্দেশনা দেন। তার পরিচালনার বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো—কল্পনাকে খুব সুন্দরভাবে ভিজ্যুয়ালি তুলে ধরতে পারেন। অর্থাত্, কল্পনাকে বাস্তবের স্পেশাল ইফেক্টের মাঝে নিয়ে আসতে পারেন। তার কিছু বিখ্যাত মুভির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ‘দ্য রক’, ‘আরমাগার্ডেন’, ‘পার্ল হারবার’ ও ‘ব্যাড বয়েজ’ সিরিজগুলো। এসব কিছু হয়তো অনেকেরই জানা, যেটা জানা নেই তা হলো, তিনি কিছু শর্ট ফিল্মের কাজও করেছেন।
