রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ঠেকাতে ফেসবুকে নজরদারি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কর্তৃপক্ষের নজরদারির আওতায় রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্ধিত ফি ও সান্ধ্য কোর্স বিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ফেসবুক আইডি ও বিভিন্ন পেজ, বিভিন্ন বিভাগের একাধিক শিক্ষক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর মাধ্যমে এই নজরদারি করা হচ্ছে বলে স্বীকার করেছেন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা। তবে এ বিষয়ে বিটিআরসির দায়িত্বশীল কোন কর্মকর্তার মতামত জানা সম্ভব হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক বিশ্বজিত্ চন্দ সাংবাদিকদের বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজরদারি বিষয়ক আইনটি প্রথম পাস হয় যুক্তরাষ্ট্রে। দেশের বা কোনো প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে আঘাত করে যদি কোনো ব্যক্তি মিথ্যা তথ্য প্রচার ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে অন্যকে উত্সাহিত করে তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ফেসবুক আইডি বা পেজ গোয়েন্দা নজরদারিতে আনা যেতে পারে।
প্রসঙ্গত, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ধিত ফি প্রত্যাহার ও সান্ধ্য কোর্স বাতিলের দাবিতে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম, মেইল ও মুঠোফোনে ক্ষুদেবার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে কিছু উস্কানিদাতা ছাত্র আন্দোলনের নামে ক্যাম্পাসে অরাজকতা চালিয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাবি করে আসছে।
