গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাচন

চেয়ারম্যান পদে ৬ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল

আপডেট : ২২ মে ২০১৯, ০০:১২

গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে মঙ্গলবার চেয়ারম্যান পদে ৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তারা রিটার্নিং অফিসার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবু নাসারউদ্দিনের কাছে নেতাকর্মীদের নিয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রিনা পারভীন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোশারফ হোসেন দুলাল, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান খান হাবিব, আওয়ামী নেতা আতিকুজ্জামান মোহাম্মদ, তৈয়ব আলী এবং বর্তমান চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা ইজাদুর রহমান মিলন মনোনয়নপত্র জমা দেন।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে মির্জাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. হাবিবুর রহমান, পিরুজালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক জিয়ারত হোসেন সিকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন, ভাওয়াল গড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক রিয়াজ উদ্দিন, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল আলম জুয়েল, মুঞ্জুরুল হক এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হাসিনা সরকার, সদর উপজেলা যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক মৌসুমী রেজা বৃষ্টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী দিলরুবা আক্তার, সাহিদা আক্তার, সাজেদা সুলতানা ও শেখ মোকাম্মেল দীনা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

আগামী ২৩ মে মনোনয়নপত্র বাছাই, ৩০ মে প্রত্যাহার, পরদিন প্রতীক বরাদ্দ এবং ১৮ জুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জানা গেছে, অ্যাডভোকেট রিনা পারভীন চেয়ারম্যান পদে একমাত্র নারী প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। 

গাজীপুর সিটি’র ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শোকজ

দুর্নীতি, অনিয়মসহ নানা অভিযোগে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নোটিসের জবাব না দিলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার সকালে নগর ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সিটি মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পর প্রথম সভায় সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কোনো প্রকার দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে না জড়ানোর জন্য সতর্ক করা হয়। কিন্তু কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারী নানা ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে নিজেদের জড়িয়ে ফেলেন। তারা ৭ মাসেও সংশোধন হননি। পরে নাগরিকদের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তপূর্বক ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়। এদের মধ্যে ৫ জন কর্মকর্তা ও ৯ জন কর্মচারী।

নোটিশ পাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারিগণের নাম প্রকাশ না করলেও অভিযুক্তরা সিটি কর্পোরেশনের ইলেকট্রিক, লাইসেন্স, হিসাব, ট্যাক্স, প্রকৌশল, সড়ক বিভাগ ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের বেশ কয়েকজন সচিব রয়েছেন বলে তিনি জানান।