সদ্য চাকরি পাওয়ার পর টাকা-পয়সা ঠিকমতো সামলানো, সঠিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান করা একান্তই জরুরি। তবে সেক্ষেত্রে সহজ কিছু পরিকল্পনা আগে থেকে করে রাখলে এই সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়। কিছু সহজ ইনভেস্টমেন্ট ও মানি ম্যানেজমেন্ট টিপস দেওয়া হলো
নতুন চাকরি পাওয়ার পর পুরো বিষয়টি আত্মস্থ করতেই বেশ কিছুদিন চলে যায়। হঠাত্ করে পকেট মানির পরিবর্তে হাতে এতগুলো টাকা পাওয়ার ফলে জমানোর আগে খরচ করার চিন্তাই মাথায় আসে প্রথমে। প্রচুর শপিং, ভালো কোন রেস্তোরায় খাওয়া, মাল্টিপ্লেক্সে সিনেমা দেখেই অর্ধেকের বেশি টাকা উড়ে যায়। কোনো সেভিংস প্ল্যান না থাকায় মাসের শেষে গিয়ে আর্থিক সংকটে পড়তে হয়। তাই মাথায় রাখতে হবে জামা-খরচের সঠিক ব্যালেন্সটাই হলো মানি ম্যানেজমেন্টের মূল কথা।
প্রথমেই আপনার খরচের একটা তালিকা তৈরি করে ফেলুন।
দেখুন কোন খাতে কত খরচ হচ্ছে। কোন বিশেষ খাতে অতিরিক্ত খরচ কমানো যায় কিনা, সে বিষয়টাও ভেবে দেখুন।
অফিসে বা বাড়িতে যেমন অনেক কঠিন কাজ করতে হয় ঠিক তেমন আর্থিক সমস্যাটিও এক ধরনের চ্যালেঞ্জ। আর এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার প্রথম শর্তই হচ্ছে, একে অপরের দোষারোপ না করে একসঙ্গে কাজ করার ব্যপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে একটি ফিন্যান্সিয়াল প্ল্যান বানানো। সেই প্ল্যান অনুযায়ী
জমা, খরচ ও ইনভেস্টমেন্টের সব হিসাব রাখলে মাস চালানো সহজ হতে পারে।
তালিকা বানানের সময় আপনার বাসার অন্য সবার মতামত নিতে পারেন। তাহলে সংসারের কাজে একদিকে যেমন তাদেরকে গুরুত্ব দেওয়া হবে, তেমনি তাদের ব্যাপারটা নিয়ে একটা চেতনা তৈরি হবে। এর ফলে তাদের বাড়তি খরচের চিন্তা কিছুটা হলেও দূর হবে।
প্রতি মাসে নিজের পে স্লিপ আলাদা করে ফাইল করে রাখুন। এই দরকারি কাজগুলো মাসের শেষে প্রয়োজন হতে পারে।
সেভিংস এবং ইনভেস্টমেন্টের টাকা জমানোর এবং বাড়ানোর দুটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। চাকরির প্রথম থেকেই নিজের নামে ব্যাংকে সেভিংস অ্যাকাউন্ট অবশ্যই রাখবেন।
স্যালারি পেয়েই একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা সেই অ্যাকাউন্টে জামা রাখতে পারেন।
কিছু টাকা জামানো হয়ে গেলে কোথাও সেটা কাজে লাগানো যেতে পারে
সাধারণত প্রাইভেট জবগুলোতে রিটায়ারমেন্টের পরে কোনো পেনশনের ব্যবস্থা থাকে না। তাই আপনার পছন্দমতো অন্য কোনো রিটায়ারমেন্ট প্ল্যানে ইনভেস্ট করতে পারেন।
হেলথ ইন্সুরেন্স পলিসিগুলোও মাথায় রাখতে পারেন। সেগুলোতেও ইনভেস্ট করে রাখতে পারেন।
