সখীপুরের শতবর্ষী দম্পতির বয়স্ক ভাতা মেলেনি

আপডেট : ১১ মার্চ ২০১৪, ২১:২১
বয়স শতকের কোঠায়। শীর্ণ দেহ। ঠিকমতো হাঁটা-চলা করতে পারে না। অন্যের সাহায্য নিতে হয়। কুঁজো হয়ে হাঁটেন দু’জনেই। এরপরও থেমে নেই তার জীবন। বেঁচে থাকার জন্য প্রাণপণ লড়াই করে চলেছেন আবদুল বাছেদ ওরফে বাচ্চু মিয়া। জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও তার ভাগ্যে জোটেনি বয়স্ক ভাতার কার্ড। টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের দেবল চালা গ্রামে এই শতবর্ষীর বাড়ি। এখনও তাকে সংসারের ঘানি টানতে হচ্ছে। প্রতিবার জনপ্রতিনিধিরা তাকে আশ্বাস দিলেও কেউ কাজ করেন না এমনই আক্ষেপ বাচ্চু মিয়ার। ৬ ছেলে ২ মেয়ের জনক বাচ্চু মিয়া জানালেন- সন্তানেরা যার যার মতো পৃথক সংসারি। তার স্ত্রীর রান্না করা খাবারই তার ভরসা। সেও তো কাজ করতে পারে না। তার মতো স্ত্রী সাবজানও (৮৫) বৃদ্ধা হয়ে গেছেন। স্থানীয় ৬নং কালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জামাল মিয়া ওই দম্পতিকে চেনেন না জানিয়ে মেম্বারের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। স্থানীয় ৮ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য জালাল উদ্দীন বলেন- বাচ্চু মিয়ার বয়স্ক ভাতার ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সখীপুর উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেন ভূঁইয়া বলেন- ওই বৃদ্ধ দম্পতির বয়স্ক ভাতা পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন কমিটি তালিকা দিলে সে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বয়স্ক ভাতা পাবেন।