ফুলবাড়ীতে লটারি নিয়ে তুলকালাম

আপডেট : ১১ মার্চ ২০১৪, ২১:৩২
উপজেলার গফুর মার্কেটের এক ব্যবসায়ী অনুমোদনবিহীন লটারির কুপন বিক্রি করে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে গত সোমবার ড্র করার সময় প্রশাসন লটারির কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। বিক্ষুব্ধ টিকিট ক্রেতারা তখন ঐ মার্কেটে হামলা চালিয়ে ২০টি দোকান ভাংচুর ও ৩০ লাখ টাকার মালামাল লুটপাট করেছে। সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ ও ১৩ রাউন্ড রাবার বুলেট ছোঁড়ে। এতে ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। লটারি আয়োজনকারী মকবুল হোসেনকে রাতেই পুলিশ গ্রেফতার করে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, নতুন ওই মার্কেটের মুন্নি ক্লথ স্টোরের মালিক মূল্য হ্রাসের আকর্ষণীয় প্রচারণা চালিয়ে তার দোকানের কাপড় বিক্রিসহ মার্কেট চালু করার জন্য ‘মুন্নি কুপন ড্র’র আয়োজন করেন। অনুমোদনবিহীন লটারিতে দুইটি মোটরসাইকেলসহ আকর্ষণীয় পুরস্কারের ব্যবস্থা করেন। এজন্য এক সপ্তাহ ধরে প্রচার চালিয়ে লটারির প্রতিটি টিকেট ২০ টাকায় বিক্রি করেন। এভাবে প্রায় ১০ হাজার টিকেট বিক্রি করে তিনি তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। সোমবার নির্ধারিত সময়ে লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রস্তুতি চলাকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং বৈধ কোন কাগজপত্র না থাকায় লটারির কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। এতে লটারিতে অংশগ্রহণকারীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে তারা লাঠিসোটা নিয়ে মার্কেটের বিভিন্ন দোকানে হামলা ও লুটপাট চালায়। এসময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেট ছুঁড়লে মাইদুল ইসলাম (৩২), লিটন মিয়া (৩৫) ও সফিকুল ইসলাম (২৭) আহত হয়। তাদের ফুলবাড়ী উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ফুলবাড়ী থানার ওসি বজলুর রশিদ জানান, নিপা ফার্মেসির মালিক নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাত ৫০/৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।