বর্ণিল সাজে চট্টগ্রাম

আপডেট : ১১ মার্চ ২০১৪, ২২:৫৬
চিরচেনা চট্টগ্রাম শহরকে এখন অচেনা মনে হচ্ছে! সন্ধ্যার পর রাস্তার মোড়ে মোড়ে ঝলমলে আলোকসজ্জা। লালখান বাজার ইস্পাহানী মোড়ে ক্রিকেটারদের ম্যুরাল, পুলিশ লাইনের সামনে গ্রাম-বাংলার বাউল-দের জীবনচিত্র, টাইগার পাস ও আগ্রাবাদ মোড়ে জাতীয় ঐতিহ্যের বিভিন্ন নিদর্শন, শাহ আমানত বিমান-বন্দরের সামনের রাস্তায় সাম্পান, দামপাড়া ওয়াসা মোড়ে ঘোড়দৌড়ের চিত্র, জিইসি মোড় ও টাইগার পাস মোড়ে এলইডি লাইট ম্যুরাল ছাড়াও রং- বেরংয়ের পতাকা, ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে পুরো বন্দরনগরী। চট্টগ্রামকে ঝকঝকে-তকতকে করে ঢেলে সাজানোর এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপ। এ উপলক্ষে চট্টগ্রামে আসবেন দেশি-বিদেশি খেলোয়াড় ও বিদেশি পর্যটক। বিশ্বকাপের পক্ষ-কালব্যাপী এ আয়োজনে সারা বিশ্ব শুধু ব্যাট-বলের লড়াই দেখবে না। তাদের আগ্রহ থাকবে বাংলাদেশের সৌন্দর্যের দিকেও। এ কথা মাথায় রেখেই নগরীকে ঢেলে সাজিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। দিনরাত ২৪ ঘন্টা ধরেই নগরীকে তিলোত্তমা করে তোলার প্রয়াস চলছে এখনও। সন্ধ্যার পর নগরীর অনেকেই ছুটে যাচ্ছেন বিশ্বকাপ ভেন্যু জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ও এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে। সাগরিকা মোড় থেকে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের গেট পর্যন্ত রাস্তার সকল অবৈধ স্থাপনা ইতিমধ্যে উচ্ছেদ করা হয়েছে। ফুটপাত ও রাস্তার মাঝখানে ডিভাইডারে ফুলগাছ লাগিয়ে দৃষ্টিনন্দন বাগান তৈরি করা হয়েছে। এর সাথে বাড়তি পাওনা হিসেবে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের ভেতরের সৌন্দর্যতো রয়েছেই। তবে নিরাপত্তার কারণে নগরবাসীকে এখন স্টেডিয়ামের গেট অতিক্রম করতে দেয়া হচ্ছে না। তবে যতটুকু দেখা যায় তাতেই খুশি নানা বয়সের মানুষ। এছাড়া নগরীতে ব্যক্তিগত মালিকানাধীন ভবনগুলোর পাশাপাশি স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা, শিল্প প্রতিষ্ঠানও সন্ধ্যার পর আলোকসজ্জা করা হচ্ছে। সার্কিট হাউস, এম এ আজিজ স্টেডিয়াম ও সংলগ্ন এলাকা ঘিরে উত্সাহী মানুষের ভিড় জমছে সন্ধ্যায়। কর্মব্যস্ত দিনের শেষে ক্লান্ত মানুষ একটু ভিন্নতার স্বাদ পেতে নেমে পড়ছেন রাস্তায়।