এইচআর বা হিউম্যান রিসোর্স বলতে কর্মী ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমঝোতা কিংবা সেতু তৈরি করার কাজটিকে বোঝানো হয়। এককথায় বলতে গেলে, একটা প্রতিষ্ঠানে কর্মচারী লাগবে কি না, সেই সাথে প্রতিষ্ঠানের কাজ তদারকি, এসবই এই বিভাগের কাজ। আর যারা এই কাজের সাথে জড়িত থাকেন তাদের পরিচয় হিউম্যান রিসোর্স অফিসার হিসেবে। তারা মূলত কর্মীদের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের প্রতি আগ্রহ জাগিয়ে তোলে। এসব কাজের সাথে জড়িয়ে আছে বিশ্বের নানা জায়গায় ছড়িয়ে থাকা কিছু মেধাবী তরুণ-তরুণী। তাদের কয়েকজনের কথা লিখেছেন প্রাঞ্জল সেলিম
রে বে কা ও য়ে ল
মার্কেটিং অ্যান্ড মিটিয়া মনস্টারস নামের কোম্পানির সহ-উদ্যোক্তা এবং বর্তমান সিইও তিনি। তিনি ইস্ট এশিয়ার এক ইউনিভার্সিটি থেকে বিজনেস অ্যাডমিন্সট্রেশনের উপর ডিগ্রি নেন। পরবর্তীতে মাস্টার্স করতে আমেরিকায় যান। আমেরিকার ‘কার্নিগ মেলন ইউনিভার্সিটি’ থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি পড়া শেষ করেন। তিনি বিজনেস অ্যাডমিন্সট্রেশনের উপর পড়াশোনা করলেও তার ১০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে ইনফরমেশন টেকনোলজি ফিল্ডে। ২০০৫ সালে তাকে ‘দ্য ইকোনমিক টাইমস’ পুরস্কার দেওয়া হয়। এর ঠিক ৪ বছর পরে পান ‘আমেরিকাস বেস্ট এইচআর’ অ্যাওয়ার্ড। তরুণ এইচআর ক্যাটাগরি থেকে তিনি এই পুরস্কারের জন্য মনোনায়ন পেয়েছিলেন।
ড্যা রে ন হে ই টা র
ফোর্বস ম্যাগাজিনের কন্ট্রিবিউটার হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তাকে এইচআর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি থেকে ম্যানেজমেন্ট নিয়ে পড়াশোনা করেন। তিনি লাইফ ম্যাগাজিনের বিশিষ্ট ফটোগ্রাফার হেনরি’র একমাত্র সন্তান। ছোটকাল থেকেই তিনি ব্যবসার দিকটি খুব ভালো বুঝতেন। মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি ১৬০০ ডলার আয় করেছিলেন। তাও নিজের পরিশ্রমে, কারও সহায়তা নেননি। ইউনির্ভাসিটিতে তিনি তার রুমমেটের ছোট বোনের প্রেমে পড়েন। একসময়ে এই প্রণয় বিয়েতে পরিণত হয়। তারা দম্পত্তি হিসেবে বেশ সুখী। সেই সাথে কর্মজীবনেও তিনি বেশ সুখী মানুষ।
র বা র্টো
এইচএলটিআই কোম্পানির ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে কাজ করছেন। তিনি পাবলিক রিলেশন অফিসার হিসেবে কাজ করেছেন বেশ কয়েক বছর ধরে। পড়াশোনার মাঝপথেই তিনি ইউনিভার্সিটি ছেড়ে দিয়েছিলেন। মূলত ব্যবসার কারণে। তবে কিছু সময় পর আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরেন। পড়াশোনা চালিয়ে যান। তিনি ২০০৪ সালে ব্যাচেলর ডিগ্রি নেন। বন্ধুুদের সাথে ব্যবসার কাজ করার সময় তার দুজন মানুষের সাথে তার পরিচয় হয়। তারা তাকে তাদের কোম্পানিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেন। এরপর সেই কোম্পানির এইচআর বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।
