এগিয়ে যেতে

আপডেট : ১৬ মার্চ ২০১৪, ২০:৩৩
এগিয়ে যেতে চায় সবাই। কিন্তু ‘কীভাবে’ সেটাই বেশির ভাগ শিক্ষার্থীর জানা নেই। তবে সফলদের সাফল্যগাথা থেকে অনেকেই সফল হওয়ার ধারণা নিতে পারে। এমনই একজন সফল শিক্ষার্থী অনিক মাহমুদ। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ অ্যারোস্পেস কোম্পানি আয়ারল্যান্ডের শ্যাননে কর্মক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে তার। এখন বলতে গেলে একজন এএমই পেশাদার হওয়া তার জন্য সময়ের ব্যাপার মাত্র। বর্তমানে তিনি প্রতি মাসে সম্মানজনক বৃত্তি পাচ্ছেন। সামনে এখন তার শুধুই বড় হওয়ার পথ। এইচএসসির পর কোন বিষয়ে পড়ব, কোথায় পড়ব, পাস করে পেশা গড়তে পারব কি না অথবা সার্টিফিকেটের মান কেমন হবে—এমন হাজারো প্রশ্ন লেগেই ছিল অনিকের মনে। এমন নানা প্রশ্নের মধ্যে এইচএসসি পাস করে অনিক এএমই পেশাদার কোর্সে ভর্তি হয়েছিলেন ক্যাটেকের উত্তরার এগার নম্বর সেক্টরের দুই নম্বর রোডের চৌদ্দ নম্বর প্লটে অবস্থিত ক্যাম্পাসে যাদের ফোন :০১৯২৬৯৬৩৬৫৩। অন্যান্য সচেতন শিক্ষার্থীর মতো বিশ্বজুড়ে চাহিদা এবং কর্মক্ষেত্র থাকায় ক্যারিয়ার গড়তে আত্মবিশ্বাসের সাথে এধরনের ইজিঞ্জনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জন করতে আগ্রহী হয়েছিলেন তিনি। অনিকের স্বপ্ন ছিল অল্প খরচে স্বল্প সময়ে এবং সহজে উন্নত বিশ্বে গিয়ে এ ধরনের দামি চাকরির ডিগ্রি অর্জন করবে। তার সে ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। সে অতি সহজেই আয়ারল্যান্ডে এসে শ্যাননে সম্পৃক্ত হয়েছে। এদেশ থেকে সরাসরি এ বিষয়ে পড়ালেখার জন্য এখানে আসতে হয়তো ভিসা পাওয়াটা দুরূহ বিষয় ছিল। যা হোক বাংলাদেশ থেকেই তার জন্যে ক্যাটেক সে সুযোগ করে দিয়েছে। তার জব এটাচমেন্ট নিয়ে চিন্তা করতে হচ্ছে না। বিশ্বায়নের যুগে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এয়ারলাইন্স শিল্পের দ্রুত বিকাশের সাথে বেড়ে চলেছে প্রতিযোগিতা। ফলে বিশ্বব্যাপী চাকরি বাজারে এএমই প্রফেশনালদের বিপুল চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ পেশায় ডিগ্রি পেতে সময় এবং খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি। যেমন, এসএসসির পর এইচএসসি, বিবিএ, এমবিএ করতে সাত-আট বছর লেগে যায়। আর সময় বেশি লাগার কারণে খরচও বেশি লাগে এবং চাকরি পাওয়ার বিষয়টিও থাকে অনিশ্চিত। কিন্তু এই বিষয়টি অল্প খরচে এসএসসির পরই শুরু করা যায় এবং তিন-চার বছরের মধ্যেই ক্যারিয়ার লাইফের সন্ধান পাওয়া যায়। ছোট-বড় সব ধরনের এয়ারলাইন্স প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের প্রফেশনালদের প্রয়োজন পড়ে। এর বাইরেও বিশেষ করে অ্যাভিয়েশন খাতে এই শিক্ষার্থীরা চাকরি পেয়ে থাকে। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, দুবাইসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ এমন কি বাংলাদেশেও এএমই প্রফেশনালদের ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশে ক্যাটেকে এ ধরনের ডিগ্রি নেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা ৬ মাস ক্যাটেকে থিউরিক্যাল পড়ার পর চলে যাবে শ্যানন এয়ারপোর্টে লুথফনসা টেকনিকের হেঙ্গারে হাতে কলমে শিক্ষার জন্য। যেখানে শিক্ষার্থীরা প্রতিমাসে পাঁচ শ ডলার করে স্টাইপেন্ড পেয়ে থাকে। আর লাইসেন্স পাওয়ার পর শ্যানন অ্যারোস্পেসসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে আন্তর্জাতিক বেতন কাঠামোতে চাকরি এসে যায় অনায়েসে, যা অনিকের জন্যই হয়েছে।