তখনও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটটা এতো জোরেসোরে চালু হয়নি। তারপরও বিপুল জনপ্রিয়তার কারণে প্রথমবারের মতো নতুন এই ফরম্যাটটির বিশ্বকাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল আইসিসি। ২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর্দা উঠলো দক্ষিণ আফ্রিকায়। সেবার নিজেদের প্রথম ম্যাচেই জোহানেসবার্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। তাও আবার নিজেদের চতুর্থ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে। এরপরও আয়োজিত হয়েছে তিনটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বাংলাদেশও তিল তিল করে বেড়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে। কিন্তু কোনভাবেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে জয় আসছিল না। অবশেষে সেই প্রতীক্ষার অবসান ঘটলো। গতকাল রবিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পঞ্চম আসরে বাংলাদেশ নয় উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারালো আফগানিস্তানকে। ৩৪তম ম্যাচে এসে মিললো টি-টোয়েন্টিতে দশম জয়। স্বস্তির এক বাতাস বয়ে গেল দেশের ক্রিকেটে।
উইকেটের হিসেবে এটা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়। এর আগে ২০১২ সালে হেগে নেদারল্যান্ডকে বাংলাদেশ হারিয়েছিল আট উইকেটে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির বিবেচনাতেও টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশ জিতলো প্রায় এক বছর পর। গত বছর বুলাওয়েতে সর্বশেষ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩৪ রানের জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ।
সেই সময় থেকে গতকালের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশ খেলেছে মোট তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। সব পাওয়ার নিউজিল্যান্ড সিরিজেও বাংলাদেশের পারফরম্যান্সে ছিল একটাই দাগ- টি-টোয়েন্টি ম্যাচে হার। হারতে হয়েছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজেও।
টি-টোয়েন্টি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয় (উইকেট)
ব্যবধান প্রতিপক্ষ সাল ভেন্যু
৯ উইকেট আফগানিস্তান ২০১৩ মিরপুর
৮ উইকেট নেদারল্যান্ড ২০১২ হেগ
৬ উইকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০০৭ জোহানেসবার্গ
৫ উইকেট কেনিয়া ২০০৭ নাইরোবি
