বিয়েবাড়ি এবং পার্টি। ব্যস! ডায়েট প্ল্যানিং শিকেয় এবং বাড়ছে মেদ, চওড়া হচ্ছে শরীর। ম্যানেজ করার উপায়?
আসুন জেনে নিই
ডায়েট প্ল্যানিং হঠাত্ করে বন্ধ করে দিলে কিছুটা রদবদল তো হবেই, কিন্তু কিছু কৌশল অবলম্বন করলে, সাপও মরবে, লাঠিও ভাঙবে না। খাবেন, এনজয় করবেন কিন্তু শরীরের গড়নে তেমন রদবদল হবে না। আর তাই আপনাদের জন্য রইল এমনই পানি না ছুঁয়ে মাছ ধরার কার্যকর কিছু পরামর্শ।
আমাদের এমনিতেই পানি খাওয়া কম হয়, সেটা হতে দিবেন না। দিনে অন্ততপক্ষে দু থেকে তিন লিটার পানি অবশ্যই খাবেন।
বিয়েবাড়িতে বা পার্টিতে গেলে খাবার শুরু করার আগে প্রচুর স্ন্যাক্স খেতে দেওয়া হয়, গল্প করতে-করতে, ঘুরতে-ঘুরতে প্রচুর ফিশ বল, চিকেন পকোড়া বা ফ্রাই সাবাড় হয়ে যায়। সেগুলো কন্ট্রোল করতে হবে।
খাওয়ার শুরুতেই বেশ কিছুটা স্যালাড খেয়ে নিন, খিদেও মেটে এবং তেলমশলা দেওয়া খাবারের কুপ্রভাবটাও কম হয়।
কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার কম খাওয়ার চেষ্টা করবেন। রুটি, নান বা পোলাও-বিরিয়ানি কম খেয়ে চানা মশলা, মাছ বা মাংসজাতীয় প্রোটিন বেশি করে খাওয়ার চেষ্টা করুন।
খাওয়ার পর ডেজার্ট জাতীয় খাবার যথাসম্ভব কম খেতে চেষ্টা করুন।
যদি মনে হয়, দুর ছাই! সারা বছর তো আর খাচ্ছি না, ক’টা দিন একটু জমিয়ে খেয়ে নিই। এমন চিন্তা যারা করেন। তাদের জন্য রইল আরও কয়েকটা পরামর্শ—
বেশি করে স্যালাড এবং প্রচুর জল খাওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
সকালে একটু তাড়াতাড়ি উঠার চেষ্টা করুন। সকালে প্রথমেই এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ পানি একটা গোটা পাতিলেবুর রস এবং আধচামচ মধু দিয়ে ধীরে-ধীরে খান।
তারপর ১০ থেকে ১৫ মিনিট একটু জগিং, ফরোয়ার্ড-ব্যাকওয়ার্ড বেন্ডিং এবং স্ট্রেচিং বা এই ধরনের টুকটাক ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন। পাঁচ মিনিট রেস্ট নিন।
এমন একটা জায়গা বেছে নিন, যেখানে বাড়ি থেকে বেরিয়ে খুব জোরে হাঁটলেও পৌঁছতে আপনার ১০ মিনিট সময় লাগে। এবার সেখানে হেঁটে যান এবং হেঁটে ফিরেন। মোট ২০ মিনিট লাগবে। পরপর দু’দিন বাড়ি থেকে বেরিয়ে একই দিকে হাঁটবেন না, একদিন অন্তর আলাদা-আলাদা দিকে হাঁটলে ব্যাপারটা বোরিং লাগবে না।
বিয়েবাড়িতে বা পার্টিতে মনের মতো খাওয়া-দাওয়ার শেষে চুপ করে কোথাও না বসে বা শুয়ে থেকে ১০ মিনিট পায়চারি করুন। এতেও অনেকটা উপকার পাবেন।
