এগিয়ে যান হাইটেক প্রকৌশলী হয়ে

আপডেট : ২১ মার্চ ২০১৪, ১৯:১৮
সাম্প্রতিক সময়ে গ্লোবাল চাহিদাসম্পন্ন হাইটেক কোর্সগুলোর চাহিদা বাড়ছে ব্যাপকভাবে। আর এসব কোর্স করে সহজেই উন্নত বিশ্বে চাকরি নিয়ে চলে যাওয়া যাচ্ছে। এরকম কোর্সগুলোর অন্যতম হচ্ছে উড়োজাহাজ প্রকৌশল। কোর্সটি পরিচালনা করছে কলেজ অব অ্যাভিয়েশন টেকনোলজি, যারা এরই মধ্যে বিভিন্ন দেশে এই বিষয়ক দক্ষ প্রকৌশলী পাঠানো শুরু করেছে। এই কোর্সে রয়েছে ১০টি মডিউলে শিক্ষা, যার মধ্যে রয়েছে—অ্যারোডায়নামিক, ম্যাথ, ফিজিক্স, গ্যাসটারবাইন, এয়ারক্রাফট প্রপেলার, হিউম্যান ফ্যাক্টর, লেজিজলেশন, এয়ারক্রাফট ম্যাটারিয়ালস অ্যান্ড হার্ডওয়্যার, এয়ারক্রাফটওয়াশিং প্রিন্সিপাল, ডিজিটাল টেকনিক প্রভৃতি। এই বিষয়ের উপর গ্র্যাজুয়েট ও আন্ডার গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি রয়েছে। এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও সর্বসমাদৃত ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষা বোর্ড বিটেক এডেক্সেলের অধীনে সম্পন্ন করার সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থী পড়াশোনা শুরু করার ১৮ মাস পর পায় আন্তর্জাতিক ধারার সার্টিফিকেট লেভেল থ্রি বা এনডি। এর পর আঠারো মাসে লেভেল ফাইভ বা এইচএনডি। এরপর ফাইনাল ইয়ার বা চতুর্থ বছর পায় টপ আপ বিবিএ বা বিএসসি। এ পর্যায়ে ইএএসএ-৬৬ কোর্সের মধ্যে রয়েছে ইএএসএ পার্ট-৬৬ ক্যাট-এ, এএমএল ক্যাট বি-১/বি-২। বিটেক এডেক্সেলের লেভেল-৩ এবং লেভেল-৫-এর মধ্যে রয়েছে এনডি-এইচএনডি ইন অ্যারোনটিক্যাল সায়েন্স, ইউরোপিয়ান অ্যাভিয়েশন সেফটি এজেন্সি ইএএসএ পি-৬৬ এয়ারক্রাফট পরিচালনা সনদ এএমএল। এর শিক্ষা পদ্ধতি অনেক সহজ। এসএসসি-এইচএসসি বা ‘এ’ লেভেল-‘ও’ লেভেল সম্পন্নকারীরা এই কোর্সটি করতে পারে। আনন্দের বিষয় আগে ফাইনাল ইয়ার বা টপ আপ বিএসসি করতে দেশের বাইরে যেতে হতো এখন লেভেল-৬ সম্পন্ন করা যাচ্ছে বাংলাদেশ থেকেই। ক্যাটেক থেকে এরইমধ্যে এই কোর্স সমাপ্ত করে শতশত শিক্ষার্থী দেশ-বিদেশে এভিয়েশন খাতে চাকরি করছে। এ ছাড়া এ বিষয়ে ফাইনাল ইয়ারে ১ বছর এয়ারপোর্টে ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ রয়েছে। এই বিষয়ে লেখাপড়া করতে ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুবই জরুরি। বাংলাদেশে এসব কোর্স পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য রয়েছে কলেজ অব অ্যাভিয়েশন টেকনোলজির, যাদের প্রধান ক্যাম্পাস উত্তরার এগার নম্বর সেক্টরের দুই নম্বর রোডের চৌদ্দ নম্বর প্লটে, ফোন :০১৯২৬৯৬৩৬৫৫। এ ছাড়াও উচ্চশিক্ষা এবং চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে ক্যাটেকের রয়েছে ইতিবাচক গবেষণা ও সাফল্য। যার ফলে এদের শিক্ষার্থীরা চাকরিবিহীন নেই। দেশে ছাড়াও বহির্বিশ্বে এদের প্রত্যেক ব্যাচের বেশির ভাগ শিক্ষার্থী উচ্চ আয়ের পেশার সাথে সম্পৃক্ত হচ্ছে। অন্যদিকে এদের কাছে চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের রিক্যুয়েস্ট থাকে সবসময়। এখানে ইএএসএ অথরাইজড টিচারের মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ করার পর শিক্ষার্থী চলে যায় ওয়ার্কশপ প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিংয়ে; যেখানে হাতে কলমে লুত্ফনসা হ্যাঙ্গারে এয়ার লেদিং, রিপিটিং, ড্রিলিংয়ে দক্ষ করে তোলা হয়। এরপর শিক্ষার্থীরা ওজেটি করে এক বছর ট্রেনিং করার পর পায় এএমই লাইসেন্স। আনন্দের বিষয় এই সনদ পাওয়ার পর সহজেই লুত্ফনসা এয়ার, জার্মান এয়ার, আয়ারল্যান্ড মাল্টা এয়ার প্রভৃতি ক্ষেত্রে সহজেই কাজের সুযোগ পাওয়া যায়।