ইটভাটায় অবাধে ব্যবহার হচ্ছে জমির টপসয়েল। ফলে দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে মাটির উর্বরতা শক্তি এবং নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। একটি সিন্ডিকেটের কাছে সামান্য টাকার লোভে জমির মালিকরা ফসলি জমির মাটি বিক্রি করছে। জানা যায়, ইট তৈরির মৌসুমে প্রতি বছর প্রভাবশালী একটি চক্র জমির মালিকদের ওপর বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করে। মাটি বিক্রি করতে বাধ্য করে। অনেক সচেতন কৃষক জানান, টপসয়েল বিক্রির ফলে জমির উর্বরতা শক্তি হ্রাস পাওয়ার বিষয়ে তারা অবগত।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, জমির ওপরের ৮ ইঞ্চি মাটি (টপসয়েল) কেটে ফেলায় জৈব পদার্থের অভাবে গাছের বৃদ্ধি ও বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। টপসয়েলে থাকে নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশ ও সালফারসহ মোট ১৬ রকমের উপাদান। যা ফুল-ফল ধারণ, গাছের বৃদ্ধি ও শিকড় সুদৃঢ় করতে সহায়তা করে। আর একবার টপসয়েল কেটে নিলে তা পূরণ হতে ১২-১৫ বছর পর্যন্ত সময় লাগে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি দেয়া একান্ত জরুরি।
মারুফ খান, লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম
