আই স্পেশালিস্ট

আপডেট : ২৩ মার্চ ২০১৪, ১৯:৪২
পরিচর্যার মাধ্যমে চোখের সমস্যা দূর করার বিদ্যাই হলো ‘অপটোমেট্রি’। এ পদ্ধতিতে প্রাথমিক পর্যায়ে চোখের দৃষ্টিশক্তির যত্ন নেওয়া হয়। এ পেশায় যারা কাজ করেন তারা আমাদের কাছে সাধারণত আই স্পেশালিস্ট হিসেবেই বেশি পরিচিত। এই পেশায় নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে প্রজন্মের উদ্দেশ্যে নানা বিষয়ে পরামর্শ দিলেন বারডেম হাসপাতালের ফ্যাকো ও গ্লুকোমা বিশেষজ্ঞ ডা এম নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের চিকিত্সা ক্ষেত্রে চক্ষুবিজ্ঞান একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। অন্যান্য নানা ধরনের সার্জারিতে যেমন আধুনিকতা এসেছে, তেমনি আমাদের দেশে চক্ষু সম্পর্কিত নানা সার্জারিতেও লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। বাংলাদেশে চক্ষু বিশেষজ্ঞের সংখ্যা বাড়ছে, ফলে চোখের রোগে আর কেউ হয়তো অকালে অন্ধত্ব বরণ করবেন না। তাই এই পেশাটি কাজের পাশাপাশি এক ধরনের মানবসেবা। এই পেশার মাধ্যমেই একজন সেবক হয়ে ওঠা যায় বলে জানালেন ডা. নজরুল। তার মতে, যারা তাদের কাজের পাশাপাশি মানবসেবায় নিজেদেরকে যুক্ত করতে চান তার এই পেশায় যুক্ত হতে পারেন। চক্ষু বিশেষজ্ঞদের মধ্যে এক দল রয়েছেন যারা গ্লুকোমা নামক চোখের একটি রোগ নিয়ে কাজ করেন। গ্লুকোমা চোখের এমন একটি মারাত্মক রোগ, যা বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশে অন্ধত্বের দ্বিতীয় কারণ। এই রোগ সারাতে পারলে একজন রোগী চোখে দেখতে পারেন। অর্থাত্ একজন অন্ধ মানুষকে চোখে দেখতে পাওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়া যায়। তাই, অন্ধ মানুষকে চোখ দেওয়ার আনন্দ শুধু এই পেশাতেই পাওয়া যায়। সুতরাং তরুণ প্রজন্মকে এই পেশায় এসে এই বিজ্ঞানের উন্নয়ন ও চিকিত্সা সেবাটিকে সহজলভ্য করে তোলার পরামর্শ দিলেন তিনি। প্রজন্মের এই চক্ষু বিশেষজ্ঞ মনে করেন, নতুনদের এখন জানার সুযোগ অনেক বেশি। ফলে তাদের কাজও যথেষ্ট ভালো হচ্ছে। নতুনদের জানার আগ্রহটা সব সময় রাখতে হবে। আন্তরিকতা বাড়াতে হবে। পেশার প্রতি শ্রদ্ধা, নিষ্ঠা আর একাগ্রতা ধরে রাখতে হবে। অর্থের প্রতি বেশি না ঝুঁকে সেবার প্রতি আগ্রহ বেশি থাকা উচিত। এই পেশায় ডেডিকেশনের সাথে কাজ করলে সফলতা নিজে এসে ধরা দেবে। এই পেশাটিকে অন্য যেকোনো পেশার মতো না ভেবে মানবসেবার একটি পন্থা ভেবে নিয়ে এই পেশায় যুক্ত হওয়ার জন্য তরুণ প্রজন্মকে পরামর্শ দিলেন প্রজন্মের সফল এই চক্ষু বিশেষজ্ঞ।