প্রজন্ম সংবাদ

এই প্রজন্মের মেধাবী একজন

আপডেট : ২৩ মার্চ ২০১৪, ১৯:৪৩
সঠিক পরিকল্পনা ও সময়োপযোগী উদ্যোগ নিয়ে অনেকেই সাফল্যের পথে এগিয়ে যায় দ্রুত। এই সূত্র অনুসরণ করেই শিক্ষা ক্ষেত্রে সাফল্যজনক অধ্যায়ে পদার্পণ করেছে শরীফুল হক। এসএসসি শেষ করে সে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এ-লেভেল করতে ভর্তি হয়েছিলেন উত্তরার এগার নম্বর সেক্টরের দুই নম্বর রোডের চৌদ্দ নম্বর প্লটে অবস্থিত কলেজ অব অ্যাভিয়েশন টেকনোলজিতে যাদের ফোন ৮৯৯১৩৭১। শরীফুল হক এই কোর্সে লেভেল ফাইভ সম্পন্ন করার পর EASA part-66 b1/b2 ফ্রজেন লাইসেন্স পেয়ে বর্তমানে আয়ারল্যান্ডের লুত্ফনসা টেকনিক এজি, শ্যানন-এ ইন্টার্নি করছেন। তার এবং তার বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। ছোটবেলা থেকে শরীফুলের ইচ্ছা ছিল বড় মাপের ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার। যার মাধ্যমে দেশ ও বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করা যাবে। এদিক দিয়ে তার ধারণা যে বিমানের প্রকৌশলী হচ্ছে যথেষ্ট বড় এবং গর্ব করে উল্লেখ করার মতো একটি পেশা। এরপর এসএসসি পাস করে জানতে পারলেন কলেজ অব অ্যাভিয়েশন টেকনোলজিতে এই বিষয়ে ডিগ্রি পরিচালনা করছে। সেখানে গিয়ে দেখলেন তাদের পরিচালনা করা ডিগ্রি আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত এবং এখান থেকে এই বিষয়ে ব্যাচেলর সম্পন্ন করে উন্নত বিশ্বের বহু দেশে মাস্টার্স করার সুযোগ আছে। আর খরচও যথেষ্ট কম। সেখানে ভর্তি হওয়ার পর আর তাকে পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। এখান থেকে EASA part-66 b1/b2 ফ্রজেন লাইসেন্স পেয়ে সে আয়ারল্যান্ডের লুত্ফনসা টেকনিক এজি, শ্যানন-এ ইন্টার্নি করতে চলে এসেছে। এই পেশায় জীবন যাপনের ধারা খুবই উন্নত। চাকরি ক্ষেত্রে বেতন চমত্কার। আর আয়ারল্যান্ডের মতো এমন একটি উন্নত দেশে এ ধরনের পেশাদার হওয়া মানে অনেক বড় কিছু যা তুলনা করার মতো নয়। অ্যারোপ্লেন উড্ডয়নের আগে এর সব সিস্টেম ঠিক আছে কি না তা সম্পর্কে পাইলটরা সব ধরনের তথ্যপত্র নিয়ে থাকেন। উড়োজাহাজের যাত্রী এবং পাইলটদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছানোর অনেক কিছু নির্ভর করে এয়ারক্রাফট মেনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ারের উপর। এয়ারক্রাফটয়ের নিত্য নতুন ডিজাইন উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ, এয়ারফ্রেম ইঞ্জিন তৈরি, অনুষাঙ্গিক যন্ত্রপাতির সংযোগ স্থাপন, মেরামত প্রভৃতি করার প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন শরীফুল। অন্যদিকে এয়ারক্রাফটের ফ্লাইট টেস্ট প্রোগ্রামে টেক অব ডিস্টেন্স, রেট অব ক্লইম্ব, সিল স্পিড, ম্যানুভারিলিটি অ্যান্ড ল্যান্ডিং ক্যাপাসিটি প্রভৃতি পর্যবেক্ষণ করে এক্সপার্ট হচ্ছেন তিনি। এখন ক্রমে তার এগিয়ে যাওয়ার সময়। সে ইন্টার্নি শেষে এদেশে চাকরি শুরু করতে পারবেন। আবার অন্য দেশে গিয়েও শুরু করতে পারবেন। নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা এরকম ডিগ্রি অর্জন করার পরিকল্পনা নিতে পারেন, যা একই সাথে নিজের উন্নয়নে সহায়ক হবে।