কপিরাইটার

আপডেট : ২৩ মার্চ ২০১৪, ১৯:৪৩
কপিরাইটিং অনেক সম্ভাবনাময় একটি পেশা। কপিরাইটারদের চাহিদা দিন দিন বিস্তৃত থেকে বিস্তৃতর হচ্ছে। অনেক সৃজনশীল ও দক্ষ কপিরাইটার বর্তমানে ইন্ডাস্ট্রিতে রয়েছে। এরপরও নতুনদের জন্য এখানে কাজের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এই পেশার সম্ভাবনা ও পেশা নিয়ে প্রত্যাশার কথা জানাচ্ছান এই পেশার কয়েকজন সফল মানুষ। অনুলিখন করেছেন আহসান রনি অলোক সাহা সিনিয়র কপিরাইটার, টিবিডব্লিউএ/বেঞ্চমার্ক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে অ্যাডভ্যার্টাইজিংয়ের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর বিজ্ঞাপন শিল্পে কপিরাইটারদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিধায় তাদেরও চাহিদা বাড়ছে। ভারতসহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশ বিজ্ঞাপন শিল্পে অনেক এগিয়ে গেছে। বাংলাদেশও ইতোমধ্যে অনেকটা এগিয়েছি। কিন্তু আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন শিল্প এখনও মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি। তাই তিনি এমন কিছু কাজ করার প্রত্যাশা করেন যা দেশকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এনে দেবে। এই পেশাকে প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় করে তুলতে গণমাধ্যমগুলো কিছু ভূমিকা পালন করতে পারে। তার মতে কেউ কেউ করছেও। সৃজনশীলতার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষারও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তারা অ্যাডভ্যার্টাইজিং করতে করতে শিখেছেন। তবে কেউ যদি শিখে আসে তার জন্য অনেক সুবিধা হবে। তার প্রত্যাশা তরুণরা শিখে তারপর এই পেশায় যুক্ত হবে। কিছু কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং কমিউনিকেশন পড়ানো হয়। তিনি প্রত্যাশা করেন সরকার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও মার্কেটিং কমিউনিশেন চালু করবে। এটা তরুণ প্রজন্মেরই পেশা। তরুণ বলতে শুধু বয়স নয়, মনের দিক থেকেও যারা তরুণ তারা এই পেশা উপভোগ করতে পারেন। তরুণরা সবসময়ই সৃজনশীল ও চ্যালেঞ্জিং কিছু করতে চায়। সৃজনশীলতা প্রকাশের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে এখানে। দশ বছর পর কপিরাইটিং অনেকের কাছেই ড্রিম জব হবে বলে মনে করেন তিনি। পুলক অনীল অ্যাসিস্টেন্ট ম্যানেজার, স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড প্ল্যানিং সৃজনশীলতার চর্চা করা যায় এমন একটি পেশার নাম কপিরাইটিং। প্রতিনিয়ত নতুনের সাথে থাকা, নতুন কিছু করতে পারা যায় এই পেশায়। এই পেশায় যারা আসছেন তারা যথেষ্ট মেধাবী। বাংলাদেশের মেধাবী ও প্রতিভাসম্পন্ন বিজ্ঞাপনকর্মী এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও কাজ করছেন। তার আশা দিনে দিনে এই সংখ্যা আরও বাড়বে। এটি এমন একটি পেশা যেটিতে সৃজনশীলতার পাশাপাশি ক্লায়েন্ট ম্যানেজমেন্ট, প্রচলিত ধারার বাইরে চিন্তা-ভাবনার প্রসার, প্রত্যুত্পন্নমতিত্ব গড়ে ওঠা, গ্রুমিং ইত্যাদি পদক্ষেপ নিয়ে পেশাটির আরও উন্নতি সাধন করা হবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি। এই পেশায় যারা কাজ করা শুরু করেছেন তারা তাদের কাজ মনোযোগের সাথে, সময়ের কাজ সময়ে করবেন বলে আশা করেন তিনি। যারা নবীন আছেন তারা বড়দের সম্মান করবেন, সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করবেন বলে প্রত্যাশা করেন পুলক। এই পেশায় দীর্ঘমেয়াদি পড়াশোনার সুযোগ নেই তবে শর্ট কোর্স করার মাধ্যমে এই পেশা সম্পর্কে শেখা ও ভালো করা যায়। এই পেশা আজ যেখানে আছে কাল সেখানে থাকবে না। সারা বিশ্বে বিজ্ঞাপন শিল্প অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমাদের দেশেও এই শিল্প ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এদেশে আন্তর্জাতিক মানের কাজ হবে বলে প্রত্যাশা করেন প্রজন্মের এই সফল প্রতিনিধি।